শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া মনোহরপুর উবি’র সভাপতি হলেন খোরশেদ আলম

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:১০ এম
কচুয়া মনোহরপুর উবি’র সভাপতি হলেন খোরশেদ আলম

কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

গত (২৬ জুন) কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা ২০২৪ এর ৬৪ (১০) দ্বারা অনুসরণ করে পরবর্তী ৬ মাসের জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটির অনুমোদন পত্র জারি করা হয়।

এডহক কমিটির অনুমোদন পত্র অনুযায়ী সভাপতি পদে নির্বাচিত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

এছাড়াও তিনি এই প্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি ও রেগুলার কমিটিতে একাধিকবার সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও সদস্য সচিব হিসেবে পদাধিকার বলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল খায়ের,শিক্ষক প্রতিনিধি জেসমিন আক্তার ও অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হলেন নাছির উদ্দিন রুবেল।

Model Hospital

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ার খবরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন,তার দক্ষ নেতৃত্ব, শিক্ষাবান্ধব মনোভাব এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

মোহাম্মদ খোরশেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজকল্যাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল খোরশেদ আলম বলেন, মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার অন্যতম ভিত্তি। শিক্ষার মানোন্নয়ন,অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং একটি নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমি আন্তরিকভাবে কাজ করব। শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। একই সাথে স্কুলের উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি পদে মনোনীত করায় বাংলাদেশ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুন নাহার বেবীসহ কুমিল্লা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।