বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আদম ব্যবসা করে গাড়ি বাড়ির মালিক বাবুল হোসেন!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২, ৪:২২ পিএম
প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আদম ব্যবসা করে গাড়ি বাড়ির মালিক বাবুল হোসেন!
বিশেষ প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন প্রতারণার মাধ্যমে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আদম ব্যবসা চালাচ্ছেন চাঁদপুর সদরের চান্দ্রা ইউনিয়নের বাবুল হোসেন। আর এতে করেই তিনি গাড়ি বাড়ি ও প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক বনে গেছেন। চান্দ্রা ইউনিয়নের বাংলাবাজারে ৩ তলা ফ্লাট বাসা ও পার্শ্ববর্তী বাখরপুরে রয়েছে তার নামে বেনামে আলাদা বাড়ি ও জমি। বখাটে ছেলেকে সম্পদ দেখাশোনায় কিনে দিয়েছেন দামী মোটর গাড়ি। বাবুল হোসেনের কৌশলী নানান প্রতারনা যেন রুপকথার গল্পকেও হার মানায়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চারিত্রিক ভাবেও বাবুল হোসেন অত্যান্ত নিকৃষ্ট ও দুষ্ট প্রকৃতির লোক। একাধিক বিবাহ ছাড়াও নারীদের প্রতি তার কুনজরের খবর জানেন এলাকাবাসী। আর তার আদম ব্যবসা ও নামে বেনামের সম্পত্তি দেখা শুনা করে এলাকার কেশোর গ্যাং চক্রের মূল হোতা তার ছেলে বখাটে জিয়া উদ্দিন।
১২ মার্চ শনিবার চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদে প্রতারক বাবুল হোসেন ও তার ছেলে জিয়া উদ্দিনের এসব তথ্য সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন ভুক্তভোগী এক নারী (তার স্ত্রী দাবীকারী) শিউলি বেগম।
তিনি বাবুল হোসেন ও তার ছেলে জিয়া উদ্দিনের শাস্তি দাবী করে আরো বলেন, বাবুল হোসেন এর প্রথম স্ত্রী মোমিনা বেগম তাকে চাচাতো বোন পরিচয় দিয়ে ভুল বুজিয়ে বাবুল হোসেনের সাথে জোড়পূর্বক বিয়ে দিয়ে দেন। বিয়ের পর ব্যবসার নাম করে প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা বাবুল হোসেন হাতিয়ে নেন। টাকা নিয়ে সে দীর্ঘদিন যাবৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আর তার ছেলে জিয়া উদ্দীন নানাভাবে ফোনে আমাকে হুমকি ধমকিও দেয়। এতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এদিকে আদম ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন ও তার ছেলে জিয়া উদ্দিন কে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খানজাহান আলী কালু পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, বাবুল হোসেন ও তার ছেলে জিয়া উদ্দিনের নামে অভিযোগ পেতে পেতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। তিনি গোপনে আদম ব্যবসা করতো তা আমি জানতাম না। বাবুল হোসেন ও তার ছেলে জিয়া উদ্দীন মিলে বিদেশ পাঠানোর নামে বহু মানুষের টাকা আত্মসাত করার অভিযোগের রয়েছে। এছাড়াও তার স্ত্রী মোমিনা স্বামীকে চাচাতো ভাই পরিচয় দেখিয়ে এক অসহায় নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করিয়ে সেখান থেকেও ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ার গুরুতর অভিযোগ পেয়েছি। আমি দেশের প্রচলিত আইনে প্রশাসনের নিকট তার শাস্তি কামনা করছি।
এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তব্য নিতে গেলে জিয়া উদ্দীন নামের ওই যুবক বক্তব্য দিতে অস্বকৃতি জানায়। তবে অভিযোগ প্রসঙ্গে জিয়া উদ্দীনের পিতা বাবুল হোসেন বলেন, আমি আদম ব্যবসা করতাম এটা সত্য। করোনার কারনে কয়েক জন বিদেশ যেতে পারেনি। তাদের থেকে যে টাকা নিয়েছি তা ধীরে ধীরে পরিশোধ করে দিচ্ছি। প্রতারণার মাধ্যমে শিউলী বেগমকে বিয়ে করেছি তথ্যটি সঠিক নয়। উল্টো তাকে আমি ২ লক্ষ টাকা দিয়েছি। মানুষ ঠকিয়ে বাড়ী গাড়ী করাসহ অন্যান্য অভিযোগ তিনি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital