শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে শিক্ষকপুত্রের সাফল্য: ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল নাফি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৬ এম
হাজীগঞ্জে শিক্ষকপুত্রের সাফল্য: ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল নাফি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী মারজুক আব্দুল্লাহ নাফি। এ কৃতিত্বের মাধ্যমে সে পরিবার,বিদ্যালয় এবং উপজেলার জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।

নাফি হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এই গৌরবজনক সাফল্য অর্জন করে।

সে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য,সাংবাদিক ও সহকারী অধ্যাপক আরিফ ইমাম মিন্টু এবং সহকারী অধ্যাপক মোস্তারী বেগম এর একমাত্র ছেলে।

নাফির এ সাফল্যে পরিবার,শিক্ষক,আত্মীয়-স্বজন,সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। নাফির বাবা আরিফ ইমাম মিন্টু বলেন,এই অর্জনের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান, সঠিক দিকনির্দেশনা,পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা এবং সবার দোয়া ও উৎসাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি এ সাফল্যের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Model Hospital

মারজুক আব্দুল্লাহ নাফি তার এই অর্জনে মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে একজন সৎ,যোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সবার দোয়া কামনা করেছে।

এদিকে নাফির এই অসাধারণ সাফল্যে হাজীগঞ্জের শিক্ষক,শিক্ষার্থী,অভিভাবক,সাংবাদিক সমাজ,বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সে মেধা,অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের মাধ্যমে শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাজীগঞ্জের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।