বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় অটোরিকশা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার, মিশুক উদ্ধার

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
কচুয়ায় অটোরিকশা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার, মিশুক উদ্ধার

চাঁদপুরের কচুয়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ । এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাইকৃত একটি মিশুক (অটোরিকশা) উদ্ধার করা হয়েছে।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার কড়ইয়া এলাকার বাসিন্দা মো. ইসহাক (২৫) ও মো. কামরুল ইসলাম (৩৫)।

​থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুবিদপুর এলাকার হোসাইন আহম্মদ গত ১২ জুলাই তার মালিকানাধীন অটোরিকশাটি চুরি হওয়ার ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। ওই এজাহারের ভিত্তিতে কচুয়া থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯/৪১১ ধারায় একটি মামলা (নং-২৪, তাং- ১২/০৭/২০২৬) রুজু করা হয়।

​মামলাটি দায়ের হওয়ার পর কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল হকের নির্দেশনায় এসআই আবু তাহের মোল্লা সঙ্গীয় ফোর্সসহ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নামেন। আজ ১৩ জুলাই বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের ওই দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে চোরাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।

Model Hospital

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ​) মোঃ আজিজুল ইসলাম আকাশ জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে  যথাযথ পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চোরাইকৃত একটি মিশুক (অটোরিকশা) উদ্ধার করা হয়েছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।