বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে আলোচিত জুলাই আন্দোলনের শহীদ আজাদ হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণ, ৫ নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৯ পিএম
হাজীগঞ্জে আলোচিত জুলাই আন্দোলনের শহীদ আজাদ হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণ, ৫ নেতা কারাগারে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত আলোচিত শহীদ আজাদ সরকার হত্যা মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ৪ জন ছাত্রলীগ নেতা ও ১ জন আওয়ামী লীগ নেতা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিরা হলেন— হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় গ্রামের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা কাজী বশির, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সুমন, পৌর ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন আজাদ, পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক কাজী রাকিব ও রুবেল কাজী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদের অসহযোগ আন্দোলনের ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট (রোববার) বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টোরাগড় গ্রামের সরকার বাড়ির মৃত আনু সরকারের ছেলে আজাদ সরকার নিজ বসতবাড়ির সামনে হামলার শিকার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে তাকে কুমিল্লার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

ঘটনার পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যা মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। পরে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট নিহতের ছেলে হিমেল হাজীগঞ্জ থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয় টোরাগড় গ্রামের কাজী বাড়ির ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মিঠু কাজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোবারক কাজী, আওয়ামী লীগ নেতা বশির কাজী, বাদল কাজী ও নুরু কাজী, ছাত্রলীগ নেতা তুষার কাজী, রাকিব কাজী, সিয়াম কাজী ও রুবেল কাজীকে।

এছাড়া হাজীগঞ্জ পৌরসভার মকিমাবাদ গ্রামের পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল আলম বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাছান রাব্বি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলম শুভ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন আজাদ, গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পাঁচৈই গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন এবং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মৈশামূড়া গ্রামের সুমনকেও এ মামলার আসামি করা হয়।

মামলাটি দায়েরের পর বিভিন্ন সময় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মামলার পাঁচ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চলমান রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital