বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর পৌরসভার আদেশের পরও চলছে ট্যাক্সিক্যাব স্ট্যান্ড, বাড়ছে যানজট-জনভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৪ পিএম
চাঁদপুর পৌরসভার আদেশের পরও চলছে ট্যাক্সিক্যাব স্ট্যান্ড, বাড়ছে যানজট-জনভোগান্তি

চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসনিক আদেশে ট্যাক্সিক্যাব স্ট্যান্ডের ইজারা বাতিলের এক মাস পার হলেও ওয়ারলেস বাজার এলাকায় এখনো অব্যাহত রয়েছে স্ট্যান্ডের কার্যক্রম। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোররাত থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত এবং রাত ৯টার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সড়কের পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। এতে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

গত ২১ জুন চাঁদপুর পৌরসভা গাছতলা-ওয়ারলেস ট্যাক্সিক্যাব স্ট্যান্ডের ইজারাদার মো. শাহাবুদ্দিনের ইজারা বাতিল করে। পৌরসভার স্মারকে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত স্থানের বাইরে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে গাড়ি রেখে যানজট সৃষ্টি এবং ইজারার শর্ত ভঙ্গের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এবং জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ইজারা বাতিল করা হয়।

তবে বাস্তবে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। তাদের ভাষ্য, বর্তমানে নয়ন ও সুমন নামে দুই ব্যক্তি স্ট্যান্ডটি পরিচালনা করছেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সড়কের পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে, যা ব্যস্ত মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, অবৈধভাবে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে প্রতিদিন দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলেও ভোগান্তি বাড়ছে। তাদের প্রশ্ন, পৌরসভার ইজারা বাতিলের আদেশ কার্যকর হলে একই স্থানে কীভাবে প্রকাশ্যে স্ট্যান্ড পরিচালিত হচ্ছে?

Model Hospital

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে অভিযুক্ত নয়ন ও সুমনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক এরশাদ উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুই দিন অভিযান চালানো হলেও সংশ্লিষ্টদের পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, খুব ভোরে স্ট্যান্ড পরিচালিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে এবং পৌরসভার পক্ষ থেকে আবারও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এদিকে এলাকাবাসী অবৈধ ট্যাক্সিক্যাব স্ট্যান্ড দ্রুত উচ্ছেদ এবং পৌরসভার ইজারা বাতিলের আদেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে যানজট কমবে, জনভোগান্তি লাঘব হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital