বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় রাস্তা সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
কচুয়ায় রাস্তা সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু

কচুয়ায় গোহট উত্তর ইউনিয়নের বড় তুলাগাঁও থেকে পিলগিরী পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু।

কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের বড় তুলাগাঁও থেকে পিলগিরী পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতেন শিশু-শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, রোগী, মসজিদের মুসল্লী ও পথচারীরা। দীর্ঘ ৩০ বছর রাস্তাটি সংস্কার ও মেরামতের অভাবে যানবাহন চলাচল অনেকটাই অসম্ভব ছিল। গ্রামবাসীর কাছে এই রাস্তা ছিলো প্রতিদিনের দুর্ভোগের নাম। স্থানীয়দের চলাচল ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নিজ অর্থায়নে রাস্তাটি সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন ,উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপির সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ এক মাস ভারী বৃষ্টি বর্ষণে এ রাস্তাটি অধিকাংশ জায়গায় বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়ে ছোটখাটো পুকুরে পরিণতি হয়েছে। যানবাহনের চলাচলের দূরের কথা ও সাধারণ মানুষ চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। এই রাস্তায় স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। এই এলাকারই কৃতি সন্তান, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট সমাজসেবক, দানশীল ব্যক্তি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু নিজ অর্থায়নে ইট,বালু দিয়ে রাস্তাটি সংস্কার করায় স্থানীয়দের মাঝে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে।

স্থানীয় কবির হোসেন, ফজলুল হক, আবুল হোসেনসহ অনেকেই জানান,সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু। এলাকার যেকোনো সমস্যা সমাধানে তাঁর এই নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা সাধারণ মানুষের মাঝে বিশেষ আস্থা তৈরি করেছে। স্থানীয়রা আরও জানান, কেবল সড়ক সংস্কারই নয়, বরং শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সহায়তায় তিনি নিয়মিত অবদান রেখে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি এমন জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত থেকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন।

বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু বলেন,আমি অতীতেও এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। আমি সব সময় এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে মনে প্রশান্তি পাই। তাই বেহাল এই রাস্তাটির কথা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে আমি আমার নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটি সংস্কার করে দিয়েছি। আমার বাবা-মা অসুস্থ রয়েছে তাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি যেনো আমৃত্য মানুষের কল্যাণে এবং এলাকার উন্নয়নে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করতে পারি।

Model Hospital

এছাড়া তিনিও সরকারের কাছে জনদুর্ভোগ নিরসনে রাস্তাটি স্থায়ীভাবে পাকা কিংবা ঢালাই করে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য , বাংলাদেশ শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন এমপির সাথে পরামর্শ করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital