শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরের কেতুয়া সপ্রাবিয়ে মা সমাবেশ ও নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৯ পিএম
শাহমাহমুদপুরের কেতুয়া সপ্রাবিয়ে মা সমাবেশ ও নব গঠিত কমিটির পরিচিতি সভা
ভর্তিযোগ্য শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, নিয়মিত উপস্থিতি, ঝরেপড়া রোধ, শতভাগ পাশ ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩৪নং কেতুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মা সমাবেশ।
সেই সাথে নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির এক পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কেতুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষ্ণপুর জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির নবাগত সভাপতি ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি মজিবুর রহমান মাষ্টার, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
এসময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে আগত মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে একটি শিশুর সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমার প্রথম ধাপ। মায়ের হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে যখন একটি শিশু প্রথম বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পা রাখে তখন শুরু হয় তার নতুন জগতে বিচরণ। এই বিচরণকে মসৃণ করতে মায়ের সচেতনতাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রাথমিক শিক্ষায় ‘মা সমাবেশ’ নামক এই আনুষ্ঠানিকতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মা সমাবেশের মাধ্যমেই সমাজকে সচেতন করা হয় শিশু শিক্ষার প্রতি নজর দেয়ার জন্য। শিশুর ভবিষ্যৎ গঠনে প্রথম পদক্ষেপ সাধারণত মা-ই নিয়ে থাকেন। তাই ‘মা সমাবেশ’ অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
বক্তারা আরো বলেন, এই সমাবেশটি শিক্ষার্থীর ঘাটতিগুলো সনাক্ত করে নিরাময়মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা, শিশুর জন্য পরিবারে এবং বিদ্যালয়ে ভীতিহীন পরিবেশ বজায় রাখা, শিশুর পাঠের তদারকি এবং শেখার কাজে শিশুকে আগ্রহী করে তোলা যায়। শিশুকে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এবং উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সম্ভব হয় মা সমাবেশের মাধ্যমেই। মা সমাবেশের মাধ্যমে একজন মা আরও একাধিক মায়ের সাথে ভাব বিনিময়ের সুযোগ পেয়ে থাকেন যার দরূন সন্তানের জন্য সঠিক ও উপযুক্ত লক্ষ্য নির্ধারণ সহজ হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া উক্ত মা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শাহমাহমুদপুর ইউপি মেম্বার ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মুক্তা আক্তার, মমতাজ উদ্দিন, জান্নাত বেগম, আবু সাঈদ, সেলিনা বেগম, ইয়াছমিন আক্তার, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া, আবিদা সুলতানা, মোহাম্মৎ শাহিনুর আক্তার, জাফরিনা আক্তার সহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে নবগঠিত কমিটির সদস্যরা এক আলাচনায় যুক্ত হন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital