বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বলাখালে মেয়র প্রার্থী হাসান মিয়াজীর দুই দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৮ পিএম
বলাখালে মেয়র প্রার্থী হাসান মিয়াজীর দুই দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ

আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে সমর্থন প্রত্যাশী, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী। শুক্রবার (৭ আগস্ট) তিনি বলাখাল এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তিনি বলাখাল নদীদাস বাড়ি এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, স্থানীয় ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। তার এই গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া ও জনসম্পৃক্ততা মিলেছে। গণসংযোগকালে তিনি স্থানীয় ও এলাকার লোকজনের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।

এসময় স্থানীয়রা বিভিন্ন সমস্যা উপস্থাপন করলে তিনি দলীয় সমর্থন ও পৌরবাসীর ভোটে নির্বাচিত হলে তার সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ধারাবাহিকভাবে তিনি বাকি ওয়ার্ডগুলোতে গণসংযোগ করবেন বলে সংবাদকর্মীদের জানান।

Model Hospital

দেখা গেছে, মোহাম্মদ হাসান মিয়াজীর গণসংযোগে জনসম্পৃক্ততার পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী’সহ সর্বস্তরের জনসাধারনের সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন এবং তার কাছে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে ও পৌরসভার সেবা ভিত্তিক চাহিদা উপস্থাপন করছেন। এসময় তিনি দলীয় সমর্থন ও মেয়র নির্বাচিত হলে তা সমাধানের কথা উল্লেখ করেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আমি মেয়র প্রার্থী। তবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে আমি দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। দল যদি আমাকে মনোনিত করে সমর্থন দেয়, তাহলে আমি নির্বাচন করবো। আর যদি অন্য কাউকে সমর্থন করে, আমি তার সাথে থাকবো।

হাজীগঞ্জ পৌরসভার কাঙ্খিত উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতামূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে তিনি তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে, আধুনিক পৌরসভা গড়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং ও নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

হাজীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে’ সংসদ সদস্য ইঞ্জি. মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিধি বহিঃভূতভাবে পৌরসভার অর্থ আত্মসাৎ হয়, এমন কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।

পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সমবন্টনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থান’সহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবস্থা গ্রহণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ১২টি ওয়ার্ডে ড্রেন নির্মাণ করা হবে। যেসব ওয়ার্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, সেসব ওয়ার্ডে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, হতদরিদ্রের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও পড়ালেখায় আর্থিক সহযোগিতা এবং মসজিদ ও মন্দির’সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে। হকারদের পুর্নবাসনে পৌরসভা ও বাজার কমিটির সমন্বয়ে ব্যবসায়ী কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং পৌর এলাকায় সৌন্দর্য্যবর্ধন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital