বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় চাঞ্চল্যকর চুরির রহস্য উদ্ঘাটন: সোনা উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ২

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৮ পিএম
কচুয়ায় চাঞ্চল্যকর চুরির রহস্য উদ্ঘাটন: সোনা উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ২

​চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় অভিনব কায়দায় বাসায় ঢুকে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে সর্বস্ব লুটের ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে কচুয়া থানা পুলিশ। ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত মো. ইব্রাহিম (৫০) ও মো. বিল্লাল হোসেন (৪০) নামের দুই চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে ৩ ভরি ১ আনা ৪ রতি চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

​​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া পৌরসভাস্থ ওয়ালটন প্লাজার পাশের একটি বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা এবং করইশ গ্রামের মৃত ডাক্তার ফজর আলীর ছেলে মোহাম্মাদ নুরুল ইসলাম (৪৮)। গত ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন ব্যক্তি বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে তার বাসায় প্রবেশ করে।

​পরে কৌশলে গৃহবধূর সাথে কথা বলার একপর্যায়ে তাদের খাবারে ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করে অজ্ঞান করে চক্রটি। সুযোগ বুঝে ঘরের আলমারিতে থাকা ৬ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার (যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা) এবং ড্রয়ারে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।

​এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর-৫৮)। ঘটনার পর চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল হক, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুবেল সরকার ও এসআই রুহুল আমিনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।

Model Hospital

আধুনিক ​প্রযুক্তির সহায়তা ও বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ​ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার নিকলি ইউনিয়নের মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. ইব্রাহিম  ও  ​মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই উপজেলার বাসিন্দা মহর মিয়ার ছেলে মো. বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

​​গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা কোতোয়ালি থানার তাঁতীবাজার এলাকার একটি স্বর্ণের দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চুরি হওয়া ৩ ভরি ১ আনা ৪ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে পুলিশ।

​এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।