শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ পিএম
নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মুনাজাতরত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।

সারা দেশের ন্যায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট-২০২৬) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত পরিবেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শিরিন আক্তারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেন, মনির হোসেন, অসীম গাইন, মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম টিপু, মো. রিফাত পাটোয়ারী, অপু সূত্রধর প্রমুখ।
পরে দেশ-জাতি, বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও ইসলামের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন।
এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।