শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবি’র নতুন একাডেমিক ভবনে মিলাদ ও দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২, ২:৫৮ পিএম
শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবি’র নতুন একাডেমিক ভবনে মিলাদ ও দোয়া

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপি’র সহযোগিতায় ও চাঁদপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪ন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড় শাহতলীস্থ উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ৪তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২২মার্চ (মঙ্গলবার) বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

প্রধান অতিথি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী বক্তব্যে বলেন, ১৯৪৮ সালে অত্র এলাকায় নারী শিক্ষার উন্নয়নে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম এটি আহমেদ হোসেন রুশদী।তিনি এই এলাকায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে গেছেন । আমাদের বাড়ির বিশেষ করে রুশদী পরিবার ও মুন্সিবাড়ীর অনেকেরই সহযোগিতা পেয়েছি ভবনটি করতে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপির প্রতি কৃতজ্ঞ। শিক্ষামন্ত্রীর সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের অবকাঠামো সমস্যা সমাধান হয়েছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এই এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন ৪তলা একাডেমিক ভবন করার পেছনে আমার মা হোসনে আলা বেগম জমি দান করেছেন। এ ভবন করতে বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, সাবেক সভাপতিসহ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকেই সহযোগিতা করেছেন, আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। এ প্রতিষ্ঠান পাবলিক পরীক্ষায় সবসময় ভাল রেজাল্ট করেছে। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৫জন জিপিএ ৫পেয়েছে। তাদের আমরা সংবর্ধনা দিয়েছি। তোমরাও ভালো ফলাফল অর্জন করে এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করবে। এ ফলাফল ধরে রাখতে হবে তোমাদেরকেই। এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনেক আন্তরিক। তারা সবসময় ভালো ফলাফল এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করেন।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, আমি প্রতি বছর আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস দিচ্ছি। তার ধারাবাহিকতায় এ বছরও দিয়েছি।

বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী ও সহকারি শিক্ষক মো: সোহরাব হোসেন এর যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, জিলানী চিশতী কলেজের অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবাগত প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান মো: আবুল কালাম আজাদ, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তার, মতলব বিআরডিবির অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা কর্মকর্তা ও এলাকার কৃতিসন্তান সোলাইমান মুন্সি ,উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজি, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার মিসেস ফিরোজা বেগম, অভিভাবক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মিজানুর রহমান মুন্সি, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো: আবুল কাশেম কারী, অভিভাবক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: নুরুল হক মুন্সি প্রমুখ।

এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহতলী কামিল মাদরাসার সিনিয়র মৌলভী মাওলানা মিজানুর রহমান, সহকারি শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হালিম গাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ফজলুল হক মুন্সি, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মো: সফিক কারী, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষিকা নাজমা আক্তার, সহকারি শিক্ষিকা মোসা: রুবিনা আক্তার, সহকারি শিক্ষক মো: ইদ্রিস আলী, সহকারি শিক্ষক মো: দীপঙ্কর চন্দ্র দে, সহকারি শিক্ষক মো: নেছার আহমেদ খান, সহকারি শিক্ষিকা মানছূড়া আক্তার, সহকারি গ্রন্থাগারিক মাওলানা আব্দুল মান্নান, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম মিজি, ভবন নির্মাণের ঠিকাদার মান্নান হাজী, বিদ্যালয়ের অভিভাবক জয় কুমার ভক্ত, অভিভাবক মো: জামাল গাজী, অভিভাবক মো: নুর মোহাম্মদ মুন্সি, ডা:মো: হাসান মুন্সিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাসসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

দোয়া অনুষ্ঠানের শেষে বিদ্যালয়ের ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ফাহিমা আক্তার, ফারজানা আক্তার, মাহমুদা আক্তার, খাদিজা আক্তার, স্বর্ণা রানীকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাসসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের জমি দাতা ও আজীবন দাতা সদস্য মোসা: হোসনেয়ারা বেগমকে তার শাহতলীস্থ নিজ বাসভবনে গিয়ে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাসসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনির শিক্ষার্থী রাহেলা আক্তার।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস। তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’