বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার র‍্যালি ও  লিফলেট বিতরণ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার র‍্যালি ও  লিফলেট বিতরণ

কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা'র) উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালী।

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার সাচার বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিটি সাচার বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জিয়া উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,সাচার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন, আতিকুর রহমান জুয়েল, ফারুক হোসেন, বোরহান উদ্দিন প্রধান, জিসান আহমেদসহ আরও অনেকে।

Model Hospital

বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের অবশ্যই দক্ষ ও প্রশিক্ষিত হতে হবে। প্রশিক্ষণ ছাড়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন জরুরি। সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিভিন্ন দাবি জানান।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।