শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে যুক্ত হচ্ছে নতুন অত্যাধুনিক লঞ্চ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২, ১২:২১ পিএম
ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে যুক্ত হচ্ছে নতুন অত্যাধুনিক লঞ্চ

যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে প্রতিনিয়ত নৌবহরে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন লঞ্চ। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে আসছে অত্যাধুনিক লঞ্চ এমভি জমজম-৭। দীর্ঘদিন পুরোনো নৌযানে আস্থা থাকলেও অবশেষে জমজম নেভিগেশন বহরেও যুক্ত হচ্ছে নতুন লঞ্চ। শুধুমাত্র নতুন লঞ্চ তৈরিই নয়, বদলে ফেলা হয়েছে পুরো লঞ্চের কাঠামো।

ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে জমজমের চাহিদা শুরু থেকেই। কাছাকাছি সময়ে একাধিক নতুন লঞ্চের আগমন ঘটলেও নীরবেই সেবা দিয়ে গেছে জমজম। তবে এবার রুটের অন্যতম সেরা নৌযান নিয়ে চাঁদপুর মাতাতে তৈরি হচ্ছে বহরের ৪ তলা বিশিষ্ট আপকামিং ফ্ল্যাগশিপ জমজম-৭ যাত্রীবাহী লঞ্চ।

জানা গেছে, চারটি ভিআইপি, আটটি ডিলাক্স/ফ্যামেলি, ১৮টি ডাবল ও ৪৭টি সিঙ্গেল কেবিন নিয়ে সাজানো হয়েছে লঞ্চটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কেবিন বিন্যাস। এছাড়াও ২ তলার সম্মুখভাগে থাকবে বিজনেস ক্লাস চেয়ার। চতুর্থ তলায় হুইল ব্রিজসহ থাকবে স্টাফ কেবিন। তবে লঞ্চের কেবিন এরিয়াতে কোনো কমন বারান্দা থাকছে না। এর বিকল্প ব্যবস্থা স্বরূপ একাধিক প্রশস্থ এয়ার পাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যা ব্যবহৃত হবে শুধুমাত্র কেবিন যাত্রীদের জন্যই। যাত্রীরা ওপেন ডেকের সুবিধা পাবেন তৃতীয় তলার পেছনের অংশে এবং ২ ও ৩ তলার ফ্রন্ট ডেক থাকবে কমন বারান্দা হিসেবে। রয়েছে পর্যাপ্ত টয়লেটের ব্যবস্থাও।

মুন্সীগঞ্জ শিপ বিল্ডার্সের অধীনে নির্মিত এই লঞ্চের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ ভাগে। মূল কাঠামোর কাজ শেষ করে এখন অভ্যন্তরীণ ক্যাবল ওয়ারিং ও সিলিং ডেকোরেশনের কাজ চলছে। ইঞ্জিন রুমে চলছে ইঞ্জিন স্থাপনের শেষ অংশের কাজ। ইঞ্জিনের কাজ চলমান থাকায় এর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়নি। তবে ইঞ্জিন ফিটারের ভাষ্যমতে- প্রায় ১৪৫০ হর্স পাওয়ারের একজোড়া ডাইহাটসু ইঞ্জিন স্থাপন করা হচ্ছে। ইঞ্জিনের সঙ্গে থাকছে ৩.৫ গিয়ারের কম্বিনেশন।

Model Hospital

জমজম লঞ্চের মালিকের প্রতিনিধি বিল্পব সরকার বলেন, এটি চাঁদপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ আধুনিক লঞ্চ হবে। আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা বিলাসবহুল লঞ্চ। প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কাজের গতি ঠিকঠাক মত চললে আগামী ঈদুল আজহায় নৌযানটি সার্ভিসে আসবে। বাকিটুকু সময়ের হাতে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীসেবায় এই লঞ্চটি চালু করা হয়েছে। আশা করি যাত্রীরা, জম জম-৭ লঞ্চে আরামদায়ক ভ্রমণ করতে পারবেন।

জাকির বেপারী ও আবু কাউসারসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী বলেন, চাঁদপুর নৌরুট দিয়ে বিভিন্ন জেলার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের জন্য আধুনিক নৌযান প্রয়োজন। যদিও চাঁদপুরের নৌযানগুলো ভালো মানের। আমরা চাই বিশ্বের আধুনিক নৌযানের মতো এখানেই যাতে নৌযান তৈরি করা হয়।

চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র উপপরিচালক মো. কায়সারুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে চলাচলকারী সব লঞ্চের ফিটনেস রয়েছে। এখানে খুব ভালোমানের লঞ্চ চলাচল করে। এমভি জমজম-৭ লঞ্চটি চাঁদপুরে যুক্ত হবে কিনা আমার জানা নেই। এখানে আধুনিক লঞ্চ চালু হলে যাত্রীসেবার মান আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, চাঁদপুরে কোনো ধরনের ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলাচল করতে দেওয়া হয় না। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় চাঁদপুর-নারায়ণগঞ্জ রুটে ছোট লঞ্চ চলাচল এখনো বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ছোট লঞ্চ চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital