সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ভুট্টার বাম্পার ফলন, ভালো দামে খুশি কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২, ৯:১৯ এম
মতলব উত্তরে ভুট্টার বাম্পার ফলন, ভালো দামে খুশি কৃষক

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তরে ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। ভুট্টার বাম্পার ফলন হওয়ায় চাষিরা খুশি, দামও ভালো, তাই খুশি চাষিরা।

মঙ্গলবার মতলব উত্তর উপজেলার তালতলি, ঘনিয়ারপাড়, দেওয়ানজীকান্দি, ওটারচর, খাগকান্দা, ডুবগি, গজরা, রুহিতার পাড়, সুজাতপুর, কলাকান্দা, হানিরপাড় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকরা ভুট্টা কাটা ও মাড়াই কাজে ব্যস্ত।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রবি মৌসুমে উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা, চরাঞ্চল ও ১৪টি ইউনিয়নে ২ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। অধিক ফলনের আশায় কৃষকরা প্রচুর শ্রম দিয়েছেন। ফলনও হয়েছে ভালো। ফলে কৃষকের মুখে সোনালি হাসি। দাম ভালো হওয়ায় এবার খূশি চাষিরা।

এখনো বৃষ্টি ও ঝড়-তুফান না হওয়ায় কোন ধরণের সমস্যা হয়নি ভুট্টা চাষিদের। মানুষের খাদ্যের পাশাপাশি মাছ, হাঁস-মুরগী ও গো-খাদ্য হিসেবে ভুট্টার ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এর চাহিদাও বেড়েছে অনেক বেশি। ভুট্টা গাছের পাতা সুষম গো-খাদ্য এবং কান্ড জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে একদিকে যেমন কৃষক তার গবাদি পশু পালন ও জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারে অপরদিকে বাজারে ভুট্রার ব্যাপক চাহিদা থাকায় কৃষক এ ফসলে আগ্রহী হয়ে উঠছে। বিভিন্ন গ্রামে চলতি মৌসুমে এই ভুট্টা চাষ হয়েছে।

Model Hospital

ছেঙ্গারচর পৌরসভার তালতলি গ্রামের ভুট্টা চাষি রফিকুল ইসলাম সরকার (৪৬) জানান, তিনি ৬৫ শতক জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন। তার উৎপাদন হয়েছে ৬২ মণ। প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি করেছেন ১২০০ টাকা দরে। তিনি জানান, খরচ বাদ দিয়ে ভালো লাভ থেকেছে। ঘনিয়ারপাড় গ্রামের ভুট্টা চাষি রহিম উদ্দিন মোল্লা (৪৫) বলেন, তিনি ২৬০ শতক জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। এতে তার ফলন হয়েছে ২৫০ মণ। প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি করেছেন ১১৫০ টাকা দরে।

তিনি বলেন বাম্পার ফলনে আমরা খুশি। ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বাদে ভালো লাভবান হয়েছেন তিনি।

মতলব উত্তর উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান, রবি মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলায় এনকে-৪০, মিরাকেল, সুপার সাইন, টাইটান জাতের ভুট্টার আবাদ হয়েছে। পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমন হয়নি এ মৌসুমে।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালা উদ্দিন বলেন, মতলব উত্তর উপজেলায় ১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। তিনি জানান, রবি মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা ১৮ হাজার মেট্রিক টন।

‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম হাসপাতালে, চিকিৎসায় সহযোগিতা চাইলেন চেয়ারম্যান স্বপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম হাসপাতালে, চিকিৎসায় সহযোগিতা চাইলেন চেয়ারম্যান স্বপন

একটি পরিবারের বেঁচে থাকার স্বপ্ন, সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যাশা—সবকিছুই যেন আজ থমকে গেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী শুকুর আলম মজুমদার কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের প্রতি সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন ৪ নম্বর কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মানবিক আবেদন জানান।

আবেদনে চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন উল্লেখ করেন, হাজীগঞ্জ উপজেলার ভাটরা গ্রামের বাসিন্দা শুকুর আলম মজুমদার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় পরিবারটি এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে।

এ অবস্থায় এলাকার বিত্তবান, হৃদয়বান ও মানবিক মানুষের প্রতি নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী শুকুর আলমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Model Hospital

চেয়ারম্যানের আবেদনে বলা হয়, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও এই কঠিন সময়ে শুকুর আলমের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি, এ ধরনের হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে আহত শুকুর আলমের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন।

যেভাবে সহযোগিতা করবেন

শুকুর আলম মজুমদারের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে তাঁর পরিবারের বিকাশ নম্বর:

বিকাশ: 01871660298

আসুন, বিপদের এই কঠিন সময়ে আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই। আমাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো একজন অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ সহজ হবে, ফিরে আসবে একটি পরিবারের মুখে হাসি।

মানুষ মানুষের জন্য—মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিন।