মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি সুয়াপাড়া জিকে উবিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ভাংচুর, শিক্ষক প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২, ৯:৫৩ এম
শাহরাস্তি সুয়াপাড়া জিকে উবিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ভাংচুর, শিক্ষক প্রত্যাহার

নোমান হোসেন আখন্দ : শাহরাস্তির সুয়াপাড়া জিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ম সাময়িক পরীক্ষার গনিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে প্রত্যাহার করেছে, বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

শিক্ষককে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৪ ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ, মিলনায়তন, টেবিল বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড,দরজা- জানালা, সিলিংফ্যান, মুল্যবান মালামাল ভাংচুর করে।

বিদ্যালয় কতৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা জানায়, মোহাম্মদ আলী বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিদ্যালয়ের চলমান ১ম সাময়িক পরীক্ষার গনিত বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়।

অভিযোগ উঠে, গনিত বিষয়ের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রটি শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন, খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আকতার হোসেন ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের নিয়ে গত ১৪ ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক বসে। বৈঠকে খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমানীত হওয়ায় বিদ্যালয় কতৃপক্ষ তাকে প্রত্যাহার করে।

Model Hospital

শিক্ষককে প্রত্যাহারের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষ, শিক্ষক মিলনায়তন, মুল্যবান আসবাবপত্র ও ১০টি সিলিংফ্যান লুটে নেয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আকতার হোসেন জানান, খন্ডকালীন শিক্ষক আলী অভিযুক্ত হওয়াতেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন, শিক্ষাথীদের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি, আগ্রামী ১৭ এপ্রিল রবিবার বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

১০ শ্রেনীর বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, আলী স্যারকে স্কুল থেকে বাদ দেওয়ার খবর পেয়েই, ছাএছাএীরা তাকে পূনবহাল করার জন্য মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকে। তবে ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন বা ভাংচুরে অংশগ্রহন করেনি, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা মিছিল ও ভাংচুর তান্ডব চালিয়েছে। তারা শ্রেনীকর্ক্ষ ও মিলনায়তনের প্রায় ১০/ ১২ টি সিলিং ফ্যান খুলে নিয়ে গেছে।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”