শাহরাস্তি সুয়াপাড়া জিকে উবিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ভাংচুর, শিক্ষক প্রত্যাহার
নোমান হোসেন আখন্দ : শাহরাস্তির সুয়াপাড়া জিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ম সাময়িক পরীক্ষার গনিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলীকে প্রত্যাহার করেছে, বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

শিক্ষককে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৪ ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ, মিলনায়তন, টেবিল বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড,দরজা- জানালা, সিলিংফ্যান, মুল্যবান মালামাল ভাংচুর করে।

বিদ্যালয় কতৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা জানায়, মোহাম্মদ আলী বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিদ্যালয়ের চলমান ১ম সাময়িক পরীক্ষার গনিত বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়।

অভিযোগ উঠে, গনিত বিষয়ের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রটি শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন, খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আকতার হোসেন ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের নিয়ে গত ১৪ ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক বসে। বৈঠকে খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমানীত হওয়ায় বিদ্যালয় কতৃপক্ষ তাকে প্রত্যাহার করে।

শিক্ষককে প্রত্যাহারের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষ, শিক্ষক মিলনায়তন, মুল্যবান আসবাবপত্র ও ১০টি সিলিংফ্যান লুটে নেয়।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আকতার হোসেন জানান, খন্ডকালীন শিক্ষক আলী অভিযুক্ত হওয়াতেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন, শিক্ষাথীদের কাছে তিনি একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি, আগ্রামী ১৭ এপ্রিল রবিবার বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
১০ শ্রেনীর বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, আলী স্যারকে স্কুল থেকে বাদ দেওয়ার খবর পেয়েই, ছাএছাএীরা তাকে পূনবহাল করার জন্য মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকে। তবে ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন বা ভাংচুরে অংশগ্রহন করেনি, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা মিছিল ও ভাংচুর তান্ডব চালিয়েছে। তারা শ্রেনীকর্ক্ষ ও মিলনায়তনের প্রায় ১০/ ১২ টি সিলিং ফ্যান খুলে নিয়ে গেছে।








