সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে মুগ ডাল চাষ বেড়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২, ২:৫১ পিএম
মতলব উত্তরে মুগ ডাল চাষ বেড়েছে

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলায় এ বছর মুগডালের আবাদ বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলনও পাওয়া গেছে ভালো। এখন চলছে ডাল সংগ্রহের কাজ। অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম হওয়ায় মুগডাল চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের।

মতলব উত্তরে এ বছর মাঠের পর মাঠে মুগডালের আবাদ হয়েছে। কৃষক জানান, গত কয়েক বছর পানির অভাবে পাট পঁচানো সম্ভব হচ্ছিলো না। এবার সেই পাটের জমিতেই তারা মুগডাল আবাদ করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, এবার জমিতে মুগ ডালের ভালো ফলন হয়েছে। বেশি যত্ন নেয়া লাগেনি। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ডালের ফলন হয়েছে ভালো। এখন চলছে ফসল সংগ্রহের কাজ। পুরুষের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছেন মহিলারাও।

বাজারে প্রতিমণ মুগ বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায়। আর প্রতি বিঘায় কৃষক মুগের ফলন পাচ্ছেন ১০ থেকে ১৫ মণ। কৃষকরা বলেন, ১২০ থেকে ১৩০ টাকা প্রতি কিলো হলে মণে পাওয়া যায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। এতে আমাদের অনেক লাভ হয়। কৃষককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

Model Hospital

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, উপজেলায় এ বছর মুগ ডালের চাষ হয়েছে ১৫ হেক্টর জমিতে। মুগ ডাল যেমন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য দরকার তেমনি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য মুগ ডাল চাষে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি।

চাঁদপুরে আরএস টাওয়ারের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন সরানোর দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৩ পিএম
চাঁদপুরে আরএস টাওয়ারের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন সরানোর দাবি এলাকাবাসীর
চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোডে অবস্থিত আরএস টাওয়ারের পাশ দিয়ে টানা ৩৩ হাজার ও ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, ভবনের পাশ ঘেঁষে থাকা বিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ লাইন থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এরই মধ্যে গত ৩ অক্টোবর ভবনটিতে বেড়াতে আসা দুই শিশু বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
এ ঘটনায় চাঁদপুর পৌরসভা ভবনটির সামনের অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। তবে ওই অংশটুকু বৈধ দাবি করে পৌরসভার সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন ভবনটির মালিক রাসেল হোসেন।
ভবন মালিক রাসেল হোসেন জানান, তিনি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে ২০০৬ সালে চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড এলাকায় ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ জমিতে ভবন নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালে পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন নেন। বাকি জমি ভবনের চারপাশে রয়েছে। ২০২৩ সালে সড়ক সম্প্রসারণের সময় তৎকালীন পৌর মেয়রের অনুরোধে ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য ভবনের সামনের তিনটি সিঁড়ি ছেড়ে দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ভবনটির পাশ দিয়ে বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকির বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। এ সমস্যা সমাধানে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর পরামর্শ ও সুপারিশ নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের কুমিল্লা বিভাগীয় দপ্তরেও আবেদন করেন তিনি। এসব আবেদনে ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর আবারও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। এতে ঝুঁকিপূর্ণ সঞ্চালন লাইনটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ভবনটির পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। তাঁদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ লাইনটি যথাযথভাবে স্থানান্তর করা না হলে ভবিষ্যতে আরও দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকে যাবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ ও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, যাতে বিদ্যুৎ লাইনের ঝুঁকি থেকে ভবনটির বাসিন্দা ও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।