বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ভুট্টার সোনালি ঝিলিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মে, ২০২২, ৪:০৮ পিএম
মতলব উত্তরে ভুট্টার সোনালি ঝিলিক

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তরে চলতি বছর চরাঞ্চল’সহ উপজেলায় ভুট্টার আশাতীত ফলন হয়েছে। সেই সঙ্গে বাজারে দামও দ্বিগুণ থাকায় খুশিতে ভরে উঠছে কৃষকের মন।

উপজেলার কৃষকেরা এখন খেত থেকে সোনালি ভুট্টা সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নানা জাতের ভিড়ে এবার কৃষকদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে নতুন জাত ডালিয়া-৪৪৫৫ ও বসুধা-১৬৫৫। গত বছর যে কৃষকেরা প্রতি একরে ১১০ থেকে ১২০ মণ ভুট্টা পেয়েছেন, তাঁরা এ বছর ১৮০ থেকে ১৯০ মণ ভুট্টা সংগ্রহ করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসবা ও ১৪ ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টার চাষ করা হয়েছে। যার মধ্যে খরিফ-১ মৌসুমে ১ হাজার ৯৫০ এবং রবি মৌসুমে ২ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে শস্যটির আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ চাষ করা হয়েছে চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকায়।

উপজেলার এখলাছপুর ও সুলতানাবাদ ইউনিয়নে তিস্তার চর ঘুরে দেখা গেছে, ধু ধু বালুর খেতগুলো সবুজ আর সোনালি ফসলে ভরা। খেতে কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন কৃষকেরা। কেউ ধান কাটছেন, কেউ ভুট্টা উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ ছাড়া চরাঞ্চলে রয়েছে বাদাম, ডাল, মরিচ, বেগুন, শিম, কপি, পেঁয়াজ, রসুনসহ নানা ফসলের খেত।

Model Hospital

চরজহিরাবাদ গ্রামের ভুট্টাচাষি ইব্রাহিম, চরওমেদ গ্রামের শামীম ও আলাউদ্দিন জানান, তাঁরা গত বছর স্থানীয় দোকানির কথায় কয়েক জাতের ভুট্টা চাষ করেছিলেন। কিন্তু ফলন ভালো হয়নি। চলতি বছর নতুন জাতের ভুট্টা চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।

চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন বলেন, গত বছর যে জমিতে প্রতি একরে ১১০ থেকে ১২০ মণ ভুট্টা পেয়েছেন সেই জমিতে এ বছর মিলছে ১৮০ থেকে ১৯০ মণ ফসল।

এদিকে বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর ভুট্টার দাম দ্বিগুণ। কাঁচা ভুট্টা প্রতি মণ ১ হাজার এবং শুকনাগুলো ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর প্রতি মণ কাঁচা ভুট্টা ৪০০ এবং শুকনা ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ভালো বীজ ভালো ফসলের নিশ্চয়তা দেয়। চরাঞ্চলে ভুট্টার চাষাবাদ যেমন বাড়ছে, তেমন ফলনও বাড়ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।