বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শরীফ উল্লাহ হাইস্কুল এন্ড কলেজের গভর্ণিংবডির সভাপতি সাবেক মন্ত্রীপুত্র আনিসুল হক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ৪:৩৪ পিএম
শরীফ উল্লাহ হাইস্কুল এন্ড কলেজের গভর্ণিংবডির সভাপতি সাবেক মন্ত্রীপুত্র আনিসুল হক

মতলব উত্তর ব্যুরোঃ চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শরীফ উল্লাহ হাইস্কুল এন্ড কলেজ গভর্ণিংবডির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বৃহত্তর কুমিল্লার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরহুম শামসুল হক এর পুত্র মো. আনিসুল হক। দ্বিতীয় বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়ে আগামী ১৬ জুন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
গত ১৯ মে শরীফ উল্লাহ হাইস্কুল এন্ড কলেজ গভর্ণিংবডির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড থেকে দ্বিতীয় বারের মতো সভাপতি পদে আনিসুল হকের নাম অনুমোদন হয়। কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন, সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক মো. শরীফ উল্লাহ, অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য দেলোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন, কাউছার আহমেদ, নজরুল ইসলাম কাজল, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য শাহিনা আক্তার, শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য মো. আনিছুর রহমান, মো. আসাদুল্লাহ, সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য কামরুন্নাহার।
আনিসুল হক বলেন, প্রথমবার সভাপতি হয়ে আমি স্কুলের অনেক উন্নয়ন করেছি সকলের সহযোগীতায়। এবারও এলাকাবাসীকে নিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করবো। আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচিত করায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আগামী দিনে অত্র প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সকলের সহযোগীতা করবেন।
আনিসুল হক এর আগে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি থাকাকালে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেদখল হয়ে যাওয়া অনেক সম্পত্তি ও দোকানপাট পুনরুদ্ধার, কোচিং বাণিজ্য বন্ধসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে অনেক কাজ করেছেন। যা যেকোন সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ও চোখে পড়ার মতো।
বৃহত্তর কুমিল্লার প্রথম মেজর জেনারেল, সাবেক সফল মন্ত্রী, মতলবকে আধুনিকতার ছোঁয়া দিতে যার ছিল অগ্রণী ভূমিকা সেই প্রয়াতঃ সূর্য সন্তান এম শামসুল হক এর কনিষ্ঠ পুত্র এই আনিসুল হক।
আনিসুল হক ১৯৬৬ সালের ২৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ অবস্থিত আদমজী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং সেই একই কলেজ থেকে ১৯৮৫ সালে এইচএসসি এবং ১৯৮৮ সালে বি কম পাস করেন।
বর্তমানে তিনি সিএনজি স্টেশন, পেট্রোল পাম্প ও তৈলবাহী জাহাজ ব্যবসার সাথে জড়িত। এছাড়া তিনি সরকারি নদী খননের কাজে নিয়োজিত ড্রেজিং কোম্পানির ব্যবসায়েও তিনি জড়িত এবং এ ব্যবসায়ী সংগঠনের সিইও এবং পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ কার্গো জাহাজ মালিক সমিতির অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে দুই বছর এবং অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হিসেবে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ সিএনজি স্টেশন অ্যাসোসিয়েশনে নারায়ণগঞ্জের সভাপতি হিসেবেও দুই বছর দায়িত্ব করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।