বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে মতলব উত্তরে দিনব্যাপী কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২, ১১:২৫ এম
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে মতলব উত্তরে দিনব্যাপী কর্মশালা

মতলব উত্তর প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি অংশ নেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস।
প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ প্রান্তিক পর্যায়ে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি উদ্যোগসমূহের বহুল প্রচারে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০টি উদ্যোগের বিষয়ক কর্মশালার সেই ১০টি পয়েন্টকে ১০টি গ্রুপের মাধ্যমে ভাগ করে ওয়ার্কশপ করা হয়।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ ১০টি উদ্ভাবনী নিয়ে আলোকপাত করেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ পাবেল খান পাপ্পু, সমাজসেবা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান তপু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবাংন কর্মকর্তা মো. আওরঙ্গজেব।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান- জনপ্রতিনিধি, দপ্তর প্রধান, পুলিশ, সাংবাদিক, ইমাম- পুরোহিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ ৫০জন অংশ নেন।
কর্মশালায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, বিনিয়োগ বিকাশ, আশ্রয়ন প্রকল্প, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, ডিজিটাল বাংলাদেশ, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশুর অধিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় জেলা প্রশাসক আশরাফুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ১০টি বিশেষ উদ্ভাবনী উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন হওয়ার ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ বাতি জ্বলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো উন্নত হওয়ার ফলে উন্নত পরিবেশে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠিকানাবিহীন মানুষগুলো আশ্রয় কেন্দ্রে তাদের ঠিকানা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মানও বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা যেমন আমাদের সোনালি অতীতকে স্মরণ করিয়ে দেয়, তেমনি প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ আমাদের সোনালি ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও জাগিয়ে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের জীবন, সমাজ ও দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে শক্তি যোগাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।