শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জনসেবায় ব্যাপক প্রসংসিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০২২, ৪:১০ পিএম
বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জনসেবায় ব্যাপক প্রসংসিত

সজীব খান : হাজিগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জনসেবা দিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন।

জনসেবায় সন্তুষ্ঠ ইউনিয়নবাসী রয়েছেন, ইউনিয়নের অসহায়, দিনমজুরের মানুষের কল্যানে কাজ করায় তিনি এখন ইউনিয়নে সকলের আস্থর প্রতীক। ইউনিয়নের দেন দরবার থেকে শুরু করে সবগুলো সেবা সঠিক ভাবে পাওয়ায় ইউনিয়নবাসী চেয়ারম্যানকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। লোভ লালসার ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সকলকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সার্টিফিকেট, ওয়ারিশান সার্টিফিকেট, প্রত্যায়নপত্র, ব্যবসায়ীক টেড্র লাইসেন্স সঠিক ভাবে পাওয়ায় প্রতিনিয়ত সাধারন মানুষ পরিষমুখী হয়ে উঠছে। কোন প্রকার হয়রানি ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা সেবা নিতে পারছে। কোন ভাবে যেন মানুষ হয়রানি না হয় সে বিষয়ে চেয়ারম্যনের কড়া নির্দেশনা রয়েছে। পরিষদে আগতদের আতিয়তায় সবাই মুগ্ধ হয়ে হাসি মুখে প্রসংসা করতে করতে বের হতে দেখা গেছে।

মিজানুর রহমান বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিয়ন থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, বাল্য বিয়ে, শিক্ষারহার বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ তিনি করছে। তার নির্বাচনী ইশতেহার শতভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিইে এখন পর্যন্ত তিনি মানুষকে সেবা দিচ্ছে। বাকিলা ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়েই তিনিই এগুচ্ছে।

মিজানুর রহমানের কঠোর তত্ত্বাবধায়নে সুনামের সাথেই দিন দিন বাকিলা এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে যোগদানের পর থেকেই মানুষ পরিষমুখী হয়ে উঠেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা পাকা করন, নতুন নতুন রাস্তা নির্মানসহ উন্নয়ন মূলক কাজের পরিকল্পনা নিয়ে হাটছে। পরিষদের সকল সদস্যদের সাথে সমন্বয় রেখে বাকিলাকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্নে বিভোর মিজানুর রহমান সকল সদস্যদের সাথে খোলা মেলা আলোচনায় করছে।

Model Hospital

মিজানুর রহমান বাকিলা ইউনিয়নে এ নিয়ে দুই বার অভিভাবকের দায়িত্ব রয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করে তিনি ব্যাপক প্রসংসিত হচ্ছে। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেন। এখন পর্যন্ত অব্যাহত রাখছে। দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে তার গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। একজন ক্লিন ইমেজের চেয়ারম্যানের আসনে তিনি অলংকিত রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

মিজানুর রহমান বলেন, আমি জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। তাই সব সময় জনগনের সেবা দিতেই আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছি। কোন মানুষ যাতে আমার পরিষদে এসে হয়রানি না হয়, সেলক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করছি। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাত, পুঙ্গ ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ সকল বরাদ্ধ গুলো সঠিক ভাবে করেছি, ভবিষৎতে ও করবো।

তিনি বলেন, আমি চেয়ারম্যান, আমার ধারা কোন মানুষ যাতে হয়রানি হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে সব সময় আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। যতদিন ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্বে থাকবো সততা ও নিষ্ঠার সাথে সব সময় কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital