বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কড়ইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ছালাম সওদাগর জনসেবায় ব্যাপক প্রসংসিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২, ৫:৩৭ পিএম
কড়ইয়া ইউপি চেয়ারম্যান ছালাম সওদাগর জনসেবায় ব্যাপক প্রসংসিত

মোঃ রাছেল : কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আঃ ছালাম সওদাগর জনসেবা দিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন।

জনসেবায় সন্তুষ্ঠ ইউনিয়নবাসী, ইউনিয়নের অসহায়, দিনমজুরের মানুষের কল্যানে কাজ করায় তিনি এখন ইউনিয়নে সকলের আস্থর প্রতীক। ইউনিয়নের দেন দরবার থেকে শুরু করে সবগুলো সেবা সঠিক ভাবে পাওয়ায় ইউনিয়নবাসী চেয়ারম্যানকে নিয়ে গর্ববোধ করছে। লোভ লালসার ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সকলকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের সেবা গুলো হচ্ছেন, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সার্টিফিকেট, ওয়ারিশান সার্টিফিকেট, প্রত্যায়নপত্র, ব্যবসায়ীক টেড্র লাইসেন্স সঠিক ভাবে পাওয়ায় প্রতিনিয়ত সাধারন মানুষ পরিষদ মুখী হয়ে উঠছে। কোন প্রকার হয়রানি ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা সেবা নিতে পারছে। কোন ভাবে যেন মানুষ হয়রানি না হয় সে বিষয়ে চেয়ারম্যনের কড়া নির্দেশনা রয়েছে।

আঃ ছালাম সওদাগর কড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিয়ন থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, বাল্য বিয়ে, শিক্ষারহার বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ তিনি করছে। তার নির্বাচনী ইশতেহার শতভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি মানুষকে সেবা দিচ্ছে। কড়ইয়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়েই তিনিই এগুচ্ছে।

Model Hospital

আঃ ছালাম সওদাগরের কঠোর তত্ত্বাবধায়নে সুনামের সাথেই দিন দিন কড়ইয়া এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে যোগদানের পর থেকেই মানুষ পরিষদমুখী হয়ে উঠেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা পাকা করন, নতুন নতুন রাস্তা নির্মানসহ উন্নয়ন মূলক কাজের পরিকল্পনা নিয়ে হাটছে। পরিষদের সকল সদস্যদের সাথে সমন্বয় রেখে কড়ইয়াকে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্নে বিভোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আঃ ছালাম সওদাগর সকল সদস্যদের সাথে খোলা মেলা আলোচনায় করছে।

ইউনিয়নবাসী জানান, মানুষের কল্যাণে কাজ করে তিনি ব্যাপক প্রসংসিত হচ্ছে। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেন। এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে তার ব্যাপক গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। একজন ক্লিন ইমেজের চেয়ারম্যানের আসনে তিনি অলংকিত রয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আঃ ছালাম সওদাগর বলেন, আমি কড়ইয়া ইউনিয়নে নৌকার প্রতীক নিয়ে আসছি এবং বিনা প্রতিদ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছি। কচুয়ার উন্নয়নের রূপকার সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যারের দিক নির্দেশনায় আমি অত্র ইউনিয়নের কোন মানুষ যাতে আমার পরিষদে এসে হয়রানি না হয়, সেলক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করছি। তাই সব সময় জনগনের সেবা দিতেই আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছি। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাত, পুঙ্গ ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ সকল বরাদ্ধ গুলো সঠিক ভাবে করেছি, ভবিষৎতে ও করবো।

তিনি আরো বলেন, আমার ধারা কোন মানুষ যাতে হয়রানি না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে সব সময় আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। যতদিন ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবকের দায়িত্বে থাকবো সততা ও নিষ্ঠার সাথে সব সময় কাজ করবো ইনশাল্লাহ। কড়ইয়াকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ার তুলার স্বপ্নে কাজ করে যাবো।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’