বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যুব সমাজকে স্বাবলম্বী হতে হলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই; জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২, ১:৩৩ পিএম
যুব সমাজকে স্বাবলম্বী হতে হলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই; জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান
সজীব খান : জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন, দক্ষ যুব সমৃদ্ধ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দক্ষ নের্তৃত্ব যুব সমাজের জন্য কাজ করছে, দেশের জন্য করছে। আমরা জানিনা আমাদের যুব সমাজের কার কি ভবিষ্যৎ রয়েছে। এ জন্য অলস সময় নষ্ট না করে যুব সমাজ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে হবে।
বুধবার দুপুর ১২টায় যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ হলরুমে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব তহবিল থেকে ২০২১-২২ অর্থ বছর ১২টি যুব সংগঠনের অনুদানের চেক ও প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন বার বার চেষ্টা করে সফল হতে হবে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের স্বাবলম্বী করতে হবে, পোল্ট্রি, হেচারী, ইলেকট্রিক, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, শুন্য থেকে শুরু করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে, রাতারাতি বড় লোক হওয়ার ম্বপ্ন দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। দক্ষ প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্ম শুরু করলে সকলের জীবনের সফলতা আসবে।
যে কোন কাজের শুরু থেকে পরিশ্রম করতে হবে, এখন অনেকেই বাবার টাকায় চলছেন, একটা নিজের কাদে যখন দায়িত্ব আসবে, তখন বুঝতে হবে, যুব বয়সে অলস সময় কাটানোর মাসুল সবাইকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মাধ্য বাংলাদেশ যে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত করতে  ঘোষনা দিয়েছে, তার জন্য যুব সমাজকে যুব প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ কর্মের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তন করতে হবে।
প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ নিতে হবে, প্রযুক্তির উপর আমাদের এখন নির্ভর হতে হচ্ছে, ডিজিটাল বাংলাদেশের হাতে এখন দেশ চলে যাচ্ছেন। বর্তমান সময়ে অনেকেই অনলাইনে ব্যবসা করছে, অনলাইনে ব্যবসা করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে, এ জন্য যু্ব সমাজকে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। যে কোন বিষয়ে ভাল ভাবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে, এক স্থানে না থেকে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন স্থানে ছুটতে হবে। যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ নিলে বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋনের সুযোগ রয়েছে, সঠিক স্থানে থেকে বুঝে শুনে এগুতে হবে, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুব সমাজকে যে স্বপ্ন দেখেছে তা বাস্তবায়ন হবে। সরকার সকলের কল্যান চাচ্ছে, দেশকে এগিয়ে নিতে সার্বক্ষণিক ভাবে কাজ করছে, এজন্য সবাইকে সরকারের সাথে থাকতে হবে। অর্থনীতিক পরিবর্তনের জন্য যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তাদেরকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে আহসান সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল,  যুব উন্নয়নের ডেপুটি কো-অডিনেটর কফিল উদ্দিনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী, বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ও রাজনীতিক ব্যাক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান শেষে অনুদানের চেক অতিথিগন বিতরণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital