বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর সড়কের দু’পাশ জুড়ে বালুর ব্যবসা, চরম ভোগান্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২, ৩:৪১ পিএম
চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর সড়কের দু’পাশ জুড়ে বালুর ব্যবসা, চরম ভোগান্তি

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুরে সড়কের পাশে অবৈধভাবে দখল করে বালুর ব্যবসা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এতে করে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তেমনি দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন যানবাহন চালক ও পথচারীরা। একদিকে ট্রাকে করে বালু নিয়ে যাওয়ার পথে বাতাসের সঙ্গে বালু উড়ে চোখে-মুখে চলে আসে। অন্যদিকে সড়কের পাশে যত্রতত্র বালু রাখায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসে মারাত্মক সমস্যা হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে।

জানা যায়, চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর সড়কের গাছতলা ব্রিজ থেকে বাগাদী ইউনিয়নের বাগরা বাজার পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশের জায়গা দখল করে ছাট-বড় প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি অবৈধ বালুর ব্যবসা গড়ে উঠেছে। ব্যস্ত সড়কের পাশে বালুর ব্যবসা করার অনুমতি না থাকলেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে চলছে এই ব্যবসা। এতে করে পথচারীদের চলাচলে অসুবিধাসহ প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা।

অটোরিকশার চালক আল আমিন বলেন, বালুর কারনে এই সড়কে চলাচল করা খুবই অসুবিধা হয়। যখন তখন বালু চোখে-মুখে বালু আসে। এছাড়া ট্রাকে করে বালু নেওয়ার সময় বাসতে চোখে বালু আসে। এত করে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা থাকে। বালুর ব্যবসা করছে ভালো কথা কিন্তু আমাদের সমস্যা করে কেনো করতে হবে।

শামীর আহমেদ নামের এক পথচরী বলেন, সরকারি সড়ক ব্যবহার করে বালুর ব্যবসা করছে, যার দুঃখজনক। সরকারি আদেশ কেউ মানছে না। সড়কের পাশে বালু রাখায় হাটাচলা করা খুব সমস্যা হয়। বিশেষ করে বাসাবাড়ি ও দোকানে বালু জমে যায়। এটি বন্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

Model Hospital

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, বালু ব্যবসায়ীদের ভয়ে স্থানীয়রা কিছু বলতে পারে না। সড়কে বালু রাখার কারনে কোন ক্রেতা আমাদের এখানে বসে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানের সামনে পানি ছিটিয়ে রাখতে হয়। এটি একটি বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছে।

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক (অতিরিক্তি দায়িত্ব) মো. মারুফ হোসেন বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে কোন বালুমহলকে ইজারা প্রদান করা হয়নি। রাস্তা দখল করে যারা বালুর ব্যবসা করছে, তাদের কোন অনুমতি নেই। যারা সড়কে পাশে বালু ব্যবসা করে আসছেন তাদেরকে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত ভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও আদেশ না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।