বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ ৩টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২, ৩:৪৮ পিএম
ফরিদগঞ্জ ৩টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি

এস এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জ একই রাতে দুই বাজারে ৩ টি দোনে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ফরিদগঞ্জ মধ্য বাজারের ২টি ও ধানুয়া বাজারে ১ দোকোনে চুরির হয়েছে।

২ আগস্ট মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ফরিদগঞ্জ মধ্যবাজারের মিরা গার্মেন্টস ও ইকরা ফ্যাশন হাউজ এবং ধানুয়া বাজারের জেরিন টেলিকম এন্ড কসমেটিক্স এর দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি হয়।

ইকরা ফ্যাশনের মালিক মো.সুজন পাটওয়ারী বলেন, গতকাল সন্ধ্যা রাত থেকে প্রায় রাত সাড়ে এগারটা পর্যন্ত ইকরা ফ্যাশন হাউজের দোকানে ডেকোরেশনের কাজ করছিল। আমি রাতে শ্রমিকরা দোকানের কাজ শেষ করে রাত প্রায় ১২ টার সময় শ্রমিকদের বিদায় দিয়ে চলে যাই। এবং বাজার ব্যবসায়ীরা আমার মোবাইলে ফোন করে জানান, আমার পাশের মিরা গার্মেন্টসএ চুরি হয়েছে। এরপর আমি দ্রুত বাজারে এসে আমার দোকান খুলে দেখি আমার দোকানেও চুরি হয়েছে। চোরের দল আমার দোকান থেকে দামি দামি শাড়ি, থ্রীপিজ ও কসমেটিকস এবং দোকানে থাকা একটি আইফোন মোবাই নিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কি ভাবে চুরি হয়েছে হয়েছে যানতে চাইলে তিনি যানান, দোকানের চালের টিন খুলে চোর আমার দোকানে ডুকে চুরি করে আমার দোকানের পিচনের দরজার তালা ভেঙ্গে চলে যায়।

Model Hospital

মিরা গার্মেন্টস’র মালিক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় রাত সাড়ে ৯ টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ীতে চলে যাই। সকালে যথা নিয়মে দোকানের সাটার খুলে দেখি আমার ক্যাশ ভাঙ্গা এবং দোকানে থাকা সিসি ক্যামেরা ভাঙ্গাবস্থায় পড়ে আছে। তিনি আরো জানান, আমি মোকামে যাওয়ার জন্য ২ লক্ষ টাকা গতকাল রাতে ক্যাশে রেখে বাড়ি যাই, চোর আমার ক্যাশ ভেঙ্গে নগদ ২ লক্ষ টাকা ও প্রায় ৫০ পিস দামি কাপড় এবং ক্যাশে থাকা চেক বই থেকে তিনটি চেপাতা ছিড়ে নিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ধিকে একই রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ধানুয়া বাজেরে জেরিন টেলিকম এন্ড কসমেটিকস এর দোকানের চুরির ঘটনা ঘটেছে। দোকানের মালিক জাহাঙ্গির হোসেন জানান, প্রতিদিনের ন্যায় রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই এরপর চোর রাতের যেকোন সময় আমার দোকানের পিচনের টিন কেটে দোকানের বিতরে ডুকে দোকানের থাকা দামি-দামি কসমেটিকস নিয়ে যায়। এত প্রায় ৫০ হাজার টাকা মালামাল চোর নিয়ে গেছে বলে তিনি দ্বাবী করেন।

ফরিদগঞ্জ বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুল বলেন, খবর পেয়ে দু’টি দোকান পরিদর্শন করেছি। তবে চুরির ঘটনা দোকানের পিছন দিয়ে ঘটার কারনে নৈশ প্রহরিরা টের পায়নি।

এ ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, ঘটনারস্থল পরিদর্শন করেছি, বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।