বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘যারা দল মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করবেন তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করবেন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ২:৫৭ পিএম
‘যারা দল মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করবেন তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করবেন’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে যে কোনো নির্বাচনে যারা মনোনয়ন চান তাদের প্রত্যেককে একটা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়।

অঙ্গীকারনামায় মনোনয়ন প্রত্যাশীর স্বাক্ষর থাকে। চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের থেকে সে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়েছে। সে অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে- ‘‘আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় অঙ্গীকার করছি যে, প্রার্র্থী মনোনয়নে আওয়ামী
লীগ স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যে কোন সিদ্ধান্ত আমি হৃষ্টচিত্তে ও বিনা প্রতিবাদে মেনে নিব। প্রার্থীত মনোনয়ন না পেলে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়ে অত্র নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব এবং কোন অবস্থাতেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কোন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করব না।

উপরে বর্ণিত সকল তথ্য আমার জানামতে সম্পূর্ণ সত্য । এই অঙ্গীকারের কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটলে আমি তাৎক্ষণিকভাবে দল থেকে বহিষ্কৃত বিবেচিত হতে পারি’’।

এই অঙ্গীকারনামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ ইউসুফ গাজী বলেন,
আমরা যারা চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছি, তারা প্রত্যেকে অঙ্গীকারনামা দিয়েছি যে, মনোনয়ন বোর্ডের যে কোনো সিদ্ধান্ত আমি বিনা প্রতিবাদে মেনে নেবো। মনোনয়ন না পেলে আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে মেনে নিয়ে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো এবং কোনো অবস্থাতেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেবো না।

Model Hospital

ইউসুফ গাজী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।

এখন অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দায়িত্ব হচ্ছে তাঁর অঙ্গীকার রক্ষা করা। আমি অপর সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীর কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করবো যে, আপনারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল আস্থা রেখে তাঁর মনোনীত প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই নির্বাচনে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। আমরা সকলে এক ও অভিন্নভাবে একই পরিবারের সদস্য হিসেবে দল মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তার বিজয় সুনিশ্চিত করবো এটাই আমার আকুল আবেদন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।