বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের মৈশাদীতে রেলওয়ের শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবসায়ীদের বোবা কান্না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৪:২৬ পিএম
চাঁদপুরের মৈশাদীতে রেলওয়ের শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবসায়ীদের বোবা কান্না
মাসুদ হোসেন : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের মৈশাদীর অর্ধশত বর্ষি তালতলা বাজারের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বোবা কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে মৈশাদী এলাকা।
বৃহষ্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের মৈশাদীতে দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযানের আওতায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো। রেলওয়ে কর্তপক্ষ জানান, দোকান মালিকদেরকে নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও তারা নিজ দায়িত্বে এসব অবৈধ স্থাপনা সড়িয়ে নেয়নি। তাই এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিাস্ট্রেট সুচিত্র নন্দন দাস, চট্টগ্রাম ডিভিশনাল রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মাহবুবুল করিম।
এদিকে শতাধিক দোকান উচ্ছেদের বিষয়ে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক পাটওয়ারী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে বলেন, আমি হতবাক, আমার প্রিয় মৈশাদী গ্রামের তালতলা বাজারটি রেলওয়ের যৌথ উচ্ছেদ অভিযানের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত। আমার জন্মের পর থেকে দেখে আসছি এই বাজারটি প্রতি বুধবার হাট বসতো। এই গ্রামের মানুষ গুলো শহরের সকল সুযোগ সুবিধা এ বাজার থেকে পেতো।প্রধানমন্ত্রীর গ্রাম হবে শহর তারই বহিঃপ্রকাশ ছিল এই বাজারটি। কি এতো জরুরী প্রয়োজন হলো ৫০ বছরের বাজারটিতে ২শ’ পরিবার কর্ম করে পরিবার পরিজন নিয়ে চলতেন। দায়িত্বশীল মহল কি এই ২শ’ পরিবারের মানবিক বিষয়টি একবারের জন্যও ভেবেছেন? আজ যে সকল পথচারী এই বাজারের উপর দিয়ে গেছেন তাদের সবার চোখের পানি পড়েছে। আর যে ২শ’ পরিবার ক্ষতিগ্রস্হ হলেন তাদের বোবা কান্না কি দায়িত্বশীল মহলের হৃদয়ে পৌছাবে?
তিনি আরো বলেন, সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় ছিল একটি ছাত্র চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এর দরিদ্র ফান্ডের শিক্ষা বৃত্তি নিয়ে এমবিবিএস ডাক্তার হওয়ার শেষ পর্যায়ে আছেন। তাঁর বাবা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে করোনার সময় মারা যান। এই বাজারে তার বাবার রেখে যাওয়া একটি দোকান ছিল, সে দোকানের আয় দিয়ে কোন মতে তার মা সংসারটি চালিয়ে যেতেন। ছেলেটি সকালে ভোরে ছুটি নিয়ে ঘটনাস্হলে তার বাবার রেখে যাওয়া কাগজ পত্র দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দেখানো ও বলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কে শুনে কার কথা। এই পরিবারটি কি করবে, কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? ছেলেটি ডাক্তারি পড়বে নাকি তার মা’র দেখা শুনা করবে?
এসময় চাঁদপুর লাকসাম রেলরুটের কানুনগো কাউছার আহমেদ, চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ওসি মুরাদুল্লা বাহার, মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম পাটওয়ারীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital