সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে ন্যায্য মূল্যের চাল বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:১২ পিএম
তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে ন্যায্য মূল্যের চাল বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে ন্যায্য মূল্যের চাউল বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন কাশিমবাজার এলাকায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় সুলভ মূল্যে কার্ডধারীদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাউল বিক্রি করা হয়। তবে কেজি প্রতি ১৫ টাকা করে ৩০ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও ২৫ থেকে ২৬ কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে কার্ডধারীদেরকে।
সরজমিনে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, কেজি প্রতি ১৫ টাকা করে ৩০ কেজি চাউলের জন্য ৪৫০টাকা জমা নিয়ে দেওয়া হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ কেজি চাউল। এছাড়াও লেবার খরচের কথা বলে প্রতি কার্ডধারী থেকে অতিরিক্ত ২০ টাকা করে নিচ্ছেন ন্যায্য মূল্যে চাউল বিক্রির ডিলার আনোয়ার হোসেন ছৈয়াল (আনু ছৈয়াল)।
১৫ টাকা কেজি ধরে চাউল ন্যায্য মূল্যের কার্ড দাড়ী মোহাম্মদ আলী হোসেন গাজী, মাসুদ খান, ইদ্রিস ঢালী জানান, আমরা অসহায় মানুষ, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে উপহার হিসেবে ন্যায্যমূল্যের কার্ড দিয়েছেন। আমাদেরকে ১৫ টাকা করে কেজি ধরে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। ডিলার আমাদের কাছ থেকে ১৫ টাকা করে ৩০ কেজি চাউলের টাকা নিচ্ছেন। সব সময় কার্ড নিয়ে ডিলারের কাছ থেকে চাউল আনতে গেলে তিনি তাড়াহুড়া করে আমাদেরকে চাউল দিয়ে বিদায় করে দেন। উনি চাউল ওজন করে আমাদেরকে দেন না। চাউলগুলো আগেই প্যাকেট করা থাকে। আমরা গেলে স্বাক্ষর রেখে প্যাকেট ভরিয়ে দেন। ওজন করার কথা বললে উনি আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। তাছাড়াও লেবার খরচের কথা বলে অতিরিক্ত ২০ টাকা করে নেন।
ন্যায্য মূল্যের কার্ড দাড়ী মোহাম্মদ আলী হোসেন গাজী বলেন, ডিলার আনু ছৈয়াল ওজন করা ছাড়া চাউলের বস্তা দিলে আমি বাহিরে এসে একটি মুদি দোকানে চাউল ওজন করি। তাতে ৩০ কেজি চাউলের জায়গায় ২৫ কেজি ১০০ গ্রাম চাউল পাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের জন্য ৩০ কেজি চাল দিচ্ছে। কিন্তু ডিলার আমাদেরকে চাল কম দিচ্ছেন কেন। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ৩০ কেজি চাউলের টাকা নিয়ে আমাদেরকে যেন আমাদের পাওনাটা বুঝিয়ে দেন।
এ বিষয়ে তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার কাছেও এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। আমরা কর্তৃপক্ষকে জানাবো। যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সঠিকভাবে বন্টন করা হয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিঃদাঃ) ফাহমিদা হক বলেন, ন্যায্য মূল্যের চাউল অবশ্যই ওজন করে বিক্রি করতে হবে। যদি কোন ডিলার চাউল বিক্রির সময় ওজন করার মেশিন না রাখে তাহলে বুঝতে হবে সেখানে কোন ঝামেলা আছে। তাই ডিলাররা চাউল বিক্রি ন্যায্য মূল্যের চাল বিক্রিতে অনিয়মওজন করেই করতে হবে, সেটা বাধ্যতামূলক। তবে অভিযোগের বিষয়ে আমরা তদন্ত করে দেখব। অভিযোগের সততা পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ন্যায্য মূল্যে চাউল বিক্রির ডিলার আনোয়ার হোসেন আনু ছৈয়াল বলেন, আমরা চাউল কম দেই না। বস্তায় চাউল কম থাকলে সেটা সিএসডি গোডাউনের দায়।

চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ এম
চাঁদপুরে সালিশের নামে হয়রানির অভিযোগে স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে জমি-জমা সংক্রান্ত সালিশে জড়ানো এবং সালিশের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানির অভিযোগে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) তারিখের ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী ঢালী।

পত্রে উল্লেখ করা হয়, জমি-জমা সংক্রান্ত দেনদরবার ও সালিশ বৈঠকে না জড়ানোর জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠির মাধ্যমে সব নেতাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। স্বপন মাহমুদকেও আগে চিঠি ও মৌখিকভাবে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বপন মাহমুদ ৪ অক্টোবর রাতে সালিশ বৈঠকের নামে সাধারণ জনগণকে হয়রানি করেছেন।

Model Hospital

এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্ত অমান্য করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।