বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে সাগরিকা ট্রেনে ইট নিক্ষেপের ঘটনায় আটক-১; ১২ জনের নামে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২, ২:৫৭ পিএম
চাঁদপুরে সাগরিকা ট্রেনে ইট নিক্ষেপের ঘটনায় আটক-১; ১২ জনের নামে মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি : চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের মেইল ট্রেন সাগরিকায় এক্রপ্রেসে ইটপাটকেল নিক্ষেপে ট্রেনের জানালার গ্লাস ভাংচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য ট্রেনে থাকা যাত্রীরা রক্ষা পেয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ মো: জাকির হোসেন(২২) নামক একজনকে আটক করে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে পাঠালে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। সে রেলওয়ে শ্রমিক কলোনীতে বসবাসরত মো: ছলেমান গাজীর ছেলে।
এ ঘটনায় চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০- ১২জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার(২৪ নভেম্বর) রেলওয়ে থানায় জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে,গতকাল বুধবার(২৩ নভেম্বর) দুপুর অনুমান আড়াইটায় রেলপথের বড় ষ্টেশন নামক স্থানে।

একটি সূত্রে জানা গেছে,এ ঘটনায় চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ১জন গাঁজা সেবনকারী ও বিক্রেতাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আটকে রেলওয়ে পুলিশ ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে শ্রমিক কলোনী ও যমুনারোড এলাকার একদল গাঁজা সেবনকারী ও বিক্রেতা রেলওয়ে এলাকায় ভাসমান ভাবে দীর্ঘদিন যাবত গাঁজা বিক্রি ও সেবন করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে,তারা ট্রেনে ভ্রমনকারী কিছু অসাধু যাত্রীদের নিকট মাদক বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থহাতিয়ে নিয়ে নিজেরা লাভবান হচ্ছেন।

Model Hospital

গত বুধবার(২৩ নভেম্বর) রেলওয়ে এলাকায় বসবাসরত টিক্কার ছেলে মো: রাসেল (২৫)সহ একদল মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতারা মাদক সেবন করে উম্মাদ হয়ে পড়ে। এ সময় তারা নিজেদের ভারসাম্য রক্ষা করতে নাপেরে চলন্ত চাঁদপুর-চট্রগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী মেইল ট্রেন সাগরিকা এক্রপ্রেসে রেলপথের ব্যবহৃত পাথর নিয়ে ট্রেনে বেপরোয়া ভাবে নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে করে ট্রেনের জানালার ব্যাপক গ্লাস ভাংচুর হয়ে রেলওয়ের ক্ষতিসাধিত হয়েছে।

ঘটনার পরপর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে এলাকাবাসী জানান। এ ঘটনার আলোকে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার শহরের বড় স্টেশন এলাকার চিহ্নিত ব্যবসায়ীর ছেলেকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মুরাদ উল্লাহ্ বাহার জানান, বুধবার সাগরিকা ট্রেনে ইটপাটকের নিক্ষেপ ও ট্রেনে গ্লাস ভাংচুরের ঘটনায় বৃহস্পতিবার একজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ বাদী হয়ে জন নিরাপত্তা আইনে ১০-১২জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামরা দায়ের করেছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের আটকের চেস্টা অব্যাহত ভাবে চলছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।