বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে চাঁদপুরে চরম দুর্ভোগে লঞ্চ যাত্রীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২, ১:০০ পিএম
নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে চাঁদপুরে চরম দুর্ভোগে লঞ্চ যাত্রীরা
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন দাবীতে শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে চাঁদপুরসহ সারা দেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ২৭ নভেম্বর রোববার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে অনিদৃষ্টকালের জন্য এই ধর্মঘট শুরু হয়।

দুইদিন হলো চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ঢাকা কিংবা অন্যান্য নৌ-রুটে কোন লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। চাঁদপুর নৌ-টার্মিনাল সম্পূর্ণ ফাঁকা দেখা যাচ্ছে।

নৌযান শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবিতে হঠাৎ দেওয়া ধর্মঘটে দুর্ভোগে পড়েছেন চাঁদপুরের লঞ্চ যাত্রীরা। স্থানীয়ভাবে কোনো ধরণের পূর্ব ঘোষণা না দেওয়া যাত্রীরা ঘাটে এসে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

ঢাকাসহ সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে চাঁদপুরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন চাঁদপুর টাইমসকে বলেন, গত ২৬ নভেম্বর দিনগত রাত ১২টার পর পর্যন্ত চাঁদপুর থেকে সিডিউলের সবগুলো লঞ্চ ছেড়ে গেছে। সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। তাদের মধ্যে সুরাহা হলে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।

Model Hospital

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুর লঞ্চঘাটে কোনো লঞ্চ নেই। পুরো লঞ্চঘাট ফাঁকা।

লঞ্চে যাত্রীরা জানান, বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বার বার লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে, তার দায়ভারও যাত্রীদের নিতে হয়েছে। এখন লঞ্চ শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তার দায়ভারও আমাদের নিতে হচ্ছে। আমরা দূর-দূরান্ত থেকে লঞ্চঘাটে এসেছি। এসে দেখি লঞ্চ চলাচল বন্ধ। আমরা যে দুর্ভোগে পড়েছি তার দায়ভার নিবে কে? আশা করি সরকারের হস্তক্ষেপে মালিক তাদের দাবি দাওয়া পুরন করে দ্রুত লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।

চাঁদপুরের বেশ ক’জন লঞ্চ শ্রমিকরা জানান, যে হারে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে, সে হারে আমাদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি পায়নি। বর্তমান বেতনে আমাদের জীবন যাপন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমাদের যে দাবি-দাওয়া ছিল, ২০২২ সাল চলে যাচ্ছে, কিন্তু মালিকপক্ষ ও শ্রম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমাদের বেতন বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।