বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে পৈতৃক সম্পত্তিগত বিরোধে বড় ভাইকে পিটিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:১৫ এম
মতলব উত্তরে পৈতৃক সম্পত্তিগত বিরোধে বড় ভাইকে পিটিয়ে জখম

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ গাজীপুর গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তিগত বিরোধের জেড় ধরে ছোট ভাই কর্তৃক বড় ভাইকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২ ডিসেম্বর এই ঘটনার পর মোশারফ হোসেন মিজির ছেলে মোঃ সাইমুন হোসেন (২৬) বাদী হয়ে ৩ ডিসেম্বর মতলব উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে বিবাদী করা হয় তবদিল হোসেনের ছেলে মোঃ শাহ আলম প্রকাশ আল আমিন মিজি (৪০), ও তার স্ত্রী রত্না আক্তার বিউটি সহ অজ্ঞাত নামা ২/৩জন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদীরা বাদীর আপন চাচা ও চাচী হন। বিবাদীরা দীর্ঘদিন যাবৎ বাদীর বাবার পৈর্তৃক মালিকানা জায়গা জমি জোরপূর্বক দখল করে রাখে এবং এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক সেবন সহ বিক্রি করে আসছে। বিবাদীদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে বাদী তার বাবা মাকে নিয়ে বাড়ীতে বসবাস করতে পারেন না। বাড়ীতে আসলে তাদেরকে গালমন্দ সহ লাঠি সোটা নিয়া মারধর করে।

গত ২ ডিসেম্বর বিকাল ৪.৩০ ঘটিকায় বাদী সহ তার বাবা তাদের বাড়ীতে আসলে, বিবাদীরা সহ আরো সহযোগী ২/৩ জনকে সাথে নিয়ে হাতে লাঠি সোটা, লোহার দাড়ালো না নিয়ে তাতের উপর অতর্কিত হামলা করে। বিবাদী মোঃ শাহ আলম প্রকাশ আল আমিন মিজি লোহার দা দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ মারলে, উক্ত কোপ বাদীর বাবা ১নং স্বাক্ষী তাহার দুই হাতদ্বারা প্রতিহত করিলে, ১নং বিবাদী এলোপাথারী লাথি, ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে মাটিতে ফেলে দিলে, দ্বিতীয় বিবাদী তার হাতে থাকা কাঠের লাঠিদ্বারা হত্যার উদ্দেশ্য এলোপাথারী পিটিয়ে বাদীর বাবার হাতে, পায়ে, পিঠে নীলাফুলা জখম সহ মাথায় গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে।

Model Hospital

বাদী মোঃ সাইমুন হোসেন বলেন, আমার বাবাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার দুই হাতদ্বারা গলায় চেপে ধরে। আমার বাবার বুক পকেটে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা আমার চাচা নিয়ে গেছে। আমার বাবার ডাক চিৎকার শুনে আমি সহ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে আমার বাবাকে প্রাণে রক্ষা করি।

উক্ত বিবাদীরা আমাদের বাড়ীঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ক্ষতি সাধন সহ আমরা যদি জায়গা জমির মালিকানা দাবী করি, আমাদেরকে স্বপরিবারে খুন করে আমাদের লাশ গুম করিবে বলে প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে। আমি স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় আমার বাবাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।