বিষ্ণপুর ধনপদ্দি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসতঘর ভাঙচুর

মঙ্গলবার দুপুরে ওই ইউনিয়নের ধনপদ্দি গ্রামের সৈয়দ আলী মিজি বাড়িতে (পোড়াবাড়ি) এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শিল্পী বেগম জানায়, ২০১৯ সালে আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই আমি ও সন্তান সামির পিতার বাড়িতেই থাকি। বিদেশ যাওয়ার আগে পার্শ্ববর্তী সাইফুল নামের এক ছেলের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল। এখন আর তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক। তার সাথে আমার সম্পর্ক আছে বলে গতকাল সাইফুলের পিতা আমির হোসেন, বউ রুপা মা ও ওহিদা বেগম, ছেলে ত্বোহাসহ কয়েকজন আমাকে মারধর করতে বাড়িতে আসে। পরে আমাকেও আমার ছেলেকে না পেয়ে আমাদের ঘর ভাঙচুর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। তাদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আমরা অন্য বাড়িতে পালিয়ে যাই। এই সময় বাড়িতে থাকা ছোট বোন শিউলিকে তারা মারধর করে চলে যায়। সাইফুল ছয় বছর ধরে প্রবাসে থাকে, তাহলে তার সাথে আমার সম্পর্ক। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। বিষয়টা স্থানীয় মেম্বার জয়নাল ঢালীকে জানানো হয়েছে।

প্রতিপক্ষ প্রবাসী সাইফুলের পিতা আমির হোসেন মিঝি বলেন, ঘটনার সময় আমি চাঁদপুর শহরে ছিলাম। বাড়ি থেকে জানানো হয় নাতিকে বাড়ির সামনে আটকিয়ে মারধর করেছে। তারা যা কিছু বলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আর আমি ওই বাড়িতে প্রবেশই করিনি। আমার নাতিকে মারধর করে উল্টা আমাদেরকে ফাঁসানো হচ্ছে।

স্থানীয় মেম্বার জয়নাল ঢালী জানান, আমি ঘটনাটি শুনে উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি মিমাংশা করা হবে। তবে এক বাড়ি থেকে অন্যবাড়িতে যাওয়া ঠিক হয় নি।







