বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মোহনপুর ইউপির উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম মিয়ার উঠান বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩, ৩:৪০ পিএম
মোহনপুর ইউপির উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম মিয়ার উঠান বৈঠক

মতলব উত্তর: মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা। দলীয় মনোনয়নের লবিং ছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে এমনই এক উঠান বৈঠকের আয়োজন করেছেন চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সেলিম মিয়া।

মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট সেলিম মিয়ার বাড়ীতে এ উঠান বৈঠক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহমান শিকদার।

দেওয়ানকান্দী গ্রামে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উঠান বৈঠকে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নারী পুরুষ উপস্থিত হয়। উঠান বৈঠকে তৃনমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবি, শ্রমিক ও দলীয় নেতা কর্মীসহ সকল শেণীর লোকজন অংশগ্রহণ করে। এসময় ভোটারদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে দোয়া কামনা করে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন সেলিম মিয়া।

Model Hospital

মোহনপুর ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট সেলিম মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের তৃণমুলের নেতাকর্মীর সমর্থন নিয়ে নির্বাচনের মাঠে এসেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনসেবা করতে চাই এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে কাজ করবো।

পাশাপাশি এলাকার জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নযয়নমূলক কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি এলাকার গরিব দুঃখি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থেকে এলাকার সমস্ত সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ, বাল্য বিবাহ, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি, যুব সমাজকে মাদকমুক্তসহ জনকল্যাণমুখী কাজ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা জাকির হোসেন, আবদুল মান্নান দেওয়ান, ডা. হযরত আলী গাজী, আক্কাছ দেওয়ান, জাকির দেওয়ান, মাহফুজ প্রধান, মুরাদ, আলম, নুরুল আমিন, স্বপন দেওয়ান, আবদুর রহমান শিকদার, সাইফুল মাঝি, ফারুক প্রমাণিক, শহিদুল্লা দেওয়ান, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান চৌধুরী, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়াস কুরুনী খান মুকুল,
মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী কামরুন্নাহার, জোহরা আক্তার, ছাবিনা বেগম, অজুফা বেগম’সহ মোহনপুর ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।