বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আমিরের প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবে বহু প্রবাসী যুবক নিঃস্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩, ৪:৪৬ পিএম
আমিরের প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবে বহু প্রবাসী যুবক নিঃস্ব

মতলব উত্তর ব্যুরোঃ  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের সাকছি পাড়া গ্রামের আমির হোসেনের আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবে বহু প্রবাসী যুবক নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এমনকি ছুটিতে বাংলাদেশেও আসতে পারছেন না অনেকে। বাঙালী প্রবাসীদের সাথে তার আর্থিক প্রতারণা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সৌদি আরব থেকে একাধিক প্রবাসী এ তথ্য জানিয়েছেন।

মতলব উত্তর উপজেলার রায়পুর ইসলামাবাদ গ্রামের মামুন নামে এক বাংলাদেশী প্রবাসী মুঠোফোনে বলেন, আমি সৌদি আরবের রিয়াদে থাকি। আমির হোসেন আমার সাথে কয়েকদিন কাজ করেছিল। সেই থেকে তার সাথে সম্পর্ক হয়। পরে আমাকে বলে আমার ইকামা দিয়ে মার্কেট থেকে ১০ হাজার রিয়্যাল, বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল বাকীতে ক্রয় করেছে। পরবর্তীতে অনেকবার টাকা পরিশোধের কথা বললে সে পাত্তা দেয় নি। হঠাৎ একদিন এই জায়গা থেকে পালিয়ে অন্য এলাকায় চলে গেছে। পরে গত নভেম্বর মাসে বাড়িতে আসার জন্য ছুটি নিয়েছিলাম, টিকিট কিনতে গিয়ে জানতে পারি আমার নামে মামলা হয়েছে টাকা পরিশোধ না করায়। তাকে মোবাইল নাম্বরে (+৯৬৬৫৪৩৮৭৫২৬৭) কল দিলে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার নাম্বার ইমুতে ব্লক করে রেখেছে। আমি এখন মামলার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় বাড়িতে আসতে পারছি না।

এদিকে আঃ মতিন নামে আরেক যুবক সৌদি আরবের রিয়াদে থাকেন। তিনি জানান, তার কাছ থেকে ৫ হাজার রিয়্যাল বাংলাদেশী টাকায় প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে প্রতারক আমির হোসেন। তিনি প্রথমে একজনের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে, তারপর টাকা ধার নিয়ে প্রতারণা করে থাকেন। আবার না বলে কারো কারো ইমাকা নিয়ে ওই ইকামা দিয়ে বিভিন্ন মার্কেট বা শোরুম থেকে বাকীতে মালামাল ক্রয় করে থাকে। এ ধরণের জালিয়াতি করেই ওই দেশে একাধিক ব্যক্তির কাছে ধরা খেয়ে বর্তমানে সৌদিতে পলাতক রয়েছে আমির হোসেন। তার পাসপোর্ট নম্বর বিএইচ-০৮৩০৯৫৬।

আমির হোসেনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে এবং সকলে পাওনা টাকা ফেরৎ পেতে বাংলাদেশী দূতাবাসের সহযোগীতা কামনা করেছেন প্রবাসীরা। তার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে বাড়িতে থাকতেও মানুষের সাথে প্রতারণা করে বেড়াতো। তার পিতা ইব্রাহিম ও মাতা জীবিত নেই। বাড়িতে থাকেন স্ত্রী সন্তান। প্রবাসে গিয়েও সে কাজ না করে প্রতারণা করে দিন পার করছে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে খেটে খাওয়া প্রবাসী যুবকরা। বাংলাদেশ থেকে তার মুঠোফোনে (+৯৬৬৫৪৩৮৭৫২৬৭) কল করলেও পাওয়া যায় নি।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।