রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ডাকাত আতঙ্কে এলাকাবাসির নির্ঘুম রাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:২২ পিএম
মতলব উত্তরে ডাকাত আতঙ্কে এলাকাবাসির নির্ঘুম রাত

মনিরুল ইসলাম মনির: মতলব উত্তরে হঠাৎ করে শনিবার মধ্য রাতে ডাকাত আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কেটেছে এলাকাবাসির । পাড়া মহল্লায় মানুষের সরগরম, ডাক চিৎকার, মসজিদে মসজিদে মাইকিং গভীর ঘুম থেকে জেগে ওঠে সাধারণ মানুষ। ঘুম থেকে জেগেই মসজিদের মাইকে শোনতে পারে এলাকায় ডাকাত পড়তে পারে সবাই সজাগ সতর্ক থাকুন। এরপর থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, মতলব উত্তরে গত ২দিন ধরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে উপজেলায় ডাকাত আতঙ্ক শুরু হয়েছে। হঠাৎ করে শনিবার মধ্য রাতে মানুষের ডাক চিৎকার, মসজিদে মসজিদে ডাকাত আতঙ্কের মাইকিং এ ঘুম ভাঙে মানুষের। মসজিদের মাইকিংএ পাড়া মহল্লায় রাস্তাঘাটে নেমে পড়ে দল বেধে পাহারা। এতে মানুষের মধ্য ভয় উৎকন্ঠতা দেখা দিয়েছে। তবে সুর্নিদিষ্ট করে কেউই বলতে পারেনি উপজেলায় কোথাও কোন ডাকাতির খবর।
এদিকে জানমাল নিয়ে ডাকাত আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে বিশেষকরে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের। পুলিশ বিষয়টি আচ করতে পেরে মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে জোরদার করছে তাদের টহল। তবে বিষয়টিকে কেউ কেউ গুজব মনে করে যে যার মত বলে বেড়াচ্ছেন।

উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউপির চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিম বলেন, সবাই বলে ডাকাত ডাকাত। আমি দেখিনি শুনি ডাকাত। তিনি বলেন, কোন পক্ষ নাশকতা সৃষ্টির জন্য হয়তো এরকম কিছু করতে পারে। তারাতো সর্বদা দেশে অস্তিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে তৎপর। তবে তাদের স্বার্থ হাসিল হবে না। এ ব্যাপারে পুলিশসহ সাধারণ মানুষ সজাগ রয়েছে। তবে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য এলাকা ভিত্তিক পাহারার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন বলেন, বিষয়টি একেবারে গুজব বলে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। আমাদের কাছে এ উপজেলায় বিভিন্ন মাধ্যমে ডাকাতি হতে পারে বলে খবর পাচ্ছি। তাই মানুষকে সতর্ক করার জন্য এলাকা ভিত্তিক মাইকিং, পাহারার কথা বলা হচ্ছে। হাট বাজার মহল্লায় সিসি ক্যামেরার কথা বলা হচ্ছে। যাতে কোন প্রকার দুর্ঘটনা না ঘটে।

Model Hospital

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের চরমাছুয়া এলাকায় ডাকাত ডুকেছে। এ মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ একে অপরের ফোনে খবর আসে। সাথে সাথে উপজেলার একটি পৌরসভাসহ চৌদ্দটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সবাইকে সতর্ক করতে শুরু হয় মাইকিং। মাইকিং শব্দ পেয়ে মানুষ ঘুম থেকে উঠে ভোর রাত পর্যন্ত ঘুম রাত মানুষের। এতে বিশেষ আতঙ্কে পড়ে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ। তারা রাত জেগে পাহারা দেয় গ্রামের অলিগলিতে।

শাহরাস্তিতে ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
শাহরাস্তিতে ফুটপাত দখলবিরোধী অভিযানে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
শাহরাস্তিতে সরকারি সড়কের দুই পাশে পথচারীদের চলাচলের জায়গা দখল করে মালামাল রাখার দায়ে ৫ ব্যবসায়ীকে মোট ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) শাহরাস্তি পৌরশহরের ঠাকুরবাজার ও কালীবাড়ি বাজারে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ অভিযানে এ দণ্ড দেওয়া হয়।চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক এবং শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুনের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামছুজ্জামান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ওই দুটি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির ব্যবসায়ী ফুটপাত দখল করে মালামাল রাখছিলেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে স্টিলের সাইনবোর্ড স্থাপন করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এতে বাজার এলাকায় যানজট তৈরি হয়ে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
অভিযানকালে ফুটপাত ও সড়কের পাশে মালামাল রেখে চলাচলে বাধা সৃষ্টির দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এতে অভিযুক্ত ৫ ব্যবসায়ীকে অভিযানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ১০৯ ধারায় ৫টি মামলায় এ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়৷ একই সঙ্গে সরকারি সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও রাস্তায় রাখা মালামাল নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান বলেন, “সরকারি রাস্তা ও পথচারীদের চলাচলের জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং বাজারের যানজট নিরসনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে মালামাল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে আবার রাস্তা দখল করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে শাহরাস্তি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, থানা পুলিশ ও উপজেলা আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।