বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

নারীর শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা সবকিছুর ঊর্ধ্বে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৫:২৭ পিএম
নারীর শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা সবকিছুর ঊর্ধ্বে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

মনিরুল ইসলাম মনির: মতলব উত্তর উপজেলা অডিটোরিয়ামে উন্নত জাতের গাভী পালনের মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত মহিলাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলী সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল এমরান খান এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ফারুক আলম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি বোরহান উদ্দিন ডালিম, সাংবাদিক ফারুক হোসেন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে গাভী পালনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মহিলাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ২১ জন মহিলার মাঝে ২১ লক্ষ টাকার ঋণের চেক বিতরণ করেন।
নারীর শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন সবকিছুর ঊর্ধ্বে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা নারীদের সহজাত প্রবৃত্তি। একজন মায়ের কিংবা নারীর মধ্যে সমস্যা সমাধানের যে প্রবৃত্তি থাকে সেটা পুরুষদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায় না। এ কারণে শান্তি রক্ষার ক্ষেত্রে নারীর মতো দক্ষতা অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষরা দেখাতে পারে না। প্রশিক্ষণ দিয়ে নারীর এই সহজাত প্রবৃত্তিকে আরও বেশি উন্নয়ন ঘটানোর বিষয়ে জোর দিতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান এদেশের একজন নারীও যেন অসহায় না থাকে। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন চান। তিনি চান নারী অপরের দয়া-দাক্ষিণ্যের জন্য বসে থাকবে না। তিনি চান পরনির্ভরশীল না থেকে নারীরা স্বাবলম্বী হবে।
তিনি আরো বলেন, নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শেখ হাসিনা একের পর এক প্রকল্প গ্রহণ করছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, এএসপি সার্কেল আবুল কালাম চৌধুরী, মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিস চৌধুরী, গজরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদ উল্লাহ প্রধান, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, সাবেক মন্ত্রীপুত্র আনিসুল হক, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন মুকুল, ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস আলম সরকার, এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রহমত উল্যাহ চৌধুরী, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিব মিয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।