বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় যুগ্ন সম্পাদক হলেন অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩, ১:২৩ পিএম
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় যুগ্ন সম্পাদক হলেন অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : শিশু কিশোরদের অন্যতম জনপ্রিয় জাতীয় সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা ১৯৯০ সালে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সারাদেশে শিশু কিশোরদের সংস্কৃতিক কার্যক্রম ছাড়াও তাদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু কিশোরদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এরই মধ্যে সংগঠনটি সারা বাংলাদেশের জেলা,উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সংগঠনটি ২ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। গত ৪ ঠা ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সবার মতামতের ভিত্তিতে ইয়াছিন মোহাম্মদকে সভাপতি এবং সাইফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেন।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন। তিনি চাঁদপুর জেলার একজন সাংস্কৃতিক মনা মানুষ হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।

Model Hospital

অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চাঁদপুর জেলা শাখার সম্মানিত সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এদিকে তিনি বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ ,হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন আমি দীর্ঘদিন যাবত বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রতীষ্ঠাকালীন সময় থেকে সর্বশেষ কাউন্সিল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমাকে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করায় আমি সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আগামীতে চাঁদপুর জেলাসহ জাতীয়ভাবে সংগঠনটির গতিশীলতা বৃদ্ধিতে আমার অভিজ্ঞতা এবং কর্মদক্ষতা প্রয়োগ করে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত এই জনপ্রিয় শিশু কিশোর সংগঠনকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।