শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার চুরান্ত প্রস্তুতির যৌথ  সভা সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬:৫৭ এম
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার চুরান্ত প্রস্তুতির যৌথ  সভা সম্পন্ন

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার চুরান্ত প্রস্তুতির যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাখেন মেলার স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধা এম এ ওয়াদুদ।

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা গৌরবের ৩০ বছর পূর্তি, স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবার্ষিকীর উপলক্ষ্যে এ বছরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনায় চুড়ান্ত প্রস্তুতির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ৪ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল ৪ টায় চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়ামের বিজয় মেলার মঞ্চের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

বিজয় মেলার চেয়ারম্যান অ্যাডঃ বদিউজ্জামান কিরণের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব হারুন আল রশিদের সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলার স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধা এম এ ওয়াদুদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আব্দুল হামিদ মাস্টার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি তারা কোনো মানুষ কে ঘর থেকে ধরে এনে হত্যা করিনি। আমরা হত্যা করছি শত্রুদেরকে। বিজয় মেলার লক্ষ্য উদ্দ্যেশ্য হলো স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস প্রজন্ম‌কে জানানো। ভুটান ও নেপাল আমাদেরকে স্বাধীনতার স্বিকৃতি দিয় প্রথম। পরবর্তিতে ভারত সরকার ইন্দিরা গান্ধী  আমাদের সহায়তা করেছে। আমাদের প্রায় ১ কোটি শরনার্থিদের তারা আশ্রয় দিয়েছে। যুদ্ধে তারা সেনা সদস্য দিয়ে সহায়তা করেছে। রাশিয়া, জার্মান আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২ লাখ বিরঙ্গনা নারী। তারা স্বাধীনতার অবদান রেখেছেন।স্বাধীনতার সময়  মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব জেক্স ফোর্স গঠন করানহয়। আমরা তাকে খাটো করে দেখিনা। এমন সময় অর্থাৎ কুয়াশাছন্ন পরিবেশে আমাতের দেশ স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। তেমনি আজকের সেই পরিবেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে।আমি যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধা। যার শরীরে গুলি লেগেছে সে বুঝেছে গুলির মজা কি, ডিসেম্বর মাস আসলেই প্রজম্ম জানতে চায় বিজয় মেলা কবে হবে।সেই জন্য বিজয় মেলার আয়োজন। আমরা শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির উপস্থিতিতে বিজয় মেলার উদ্ধোধন করবো। ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর হানাদার মুক্তিদিবসে বিজয় মেলা শুরু করা হবে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দোকান ছিল ১৬৮ টি। সাইজ ছিল ৫৬ ফিট। এ মাঠ নতুন হিসাবে স্টল করেছি ১১০ টি। সাইজ করা হয়েছে ১০ ফিট। করোনা কালে শিল্পীদেরকে বিজয় মেলার পক্ষ থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা দিয়ে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আমরা ২৯ বছর ধরে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিজয় মেলা করে এসেছি।এ বছর বিজয় মঞ্চে স্বাধীতার সুবর্নজয়ন্তী ও মুজিব জম্মশতবার্ষিকী  উপলক্ষ্যে ৪২ টি সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ গ্রহন করবে।যানজট নিরসনে বহুদিন ধরে বিজয় মেলা স্হানান্তরে বিষয়টি বলা হচ্ছে। সেই জন্য চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়ামে করা হচ্ছে। তাই এটি প্রচার করা প্রয়োজন। তাই সকলকে আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।  ১৯৯২ সালে যুব ইউনিয় ও ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধা সংসদের সহযোগিতায় প্রথম বিজয় মেলা শুরু হয়েছে। এত সুন্দর ভাবে গুছানো মেলার আয়োজন সম্ভব হয় হারুন আল রশিদের মতো মানুষ থাকার কারণে।এম এ ওয়াদুদ ভাই একা নয়। তিনি যে ভাবে বিজয় মেলার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আব্দুল হামিদ মাস্টার একজন মুক্তিযুদ্ধা তিনি, জাতিয়তাবাদী দল করতে পারেন, তবে তিনি স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করেন। স্বাধীনতার জন্য কারো অনুমতি লাগেনা। মনের তাগিদে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। আর বিজয় মেলা করতে গিয়ে জেলা প্রশাসনের অনুমতি লাগবে না, একথা সাবেক জেলা প্রশাসক গোলাম কিবরিয়াকে বলেছিলাম। সে বছর ও আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা করেছি।স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী এ গৌরব আমাদের সবার। এ বছর বিজয় মেলায় স্মৃতিচারণ করবেন গোলাম কুদ্দুস, ইকবাল সোবহান, মনোরঞ্জন ধর চাঁদপুরে আসবেন। ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর মুক্তদিবস।

Model Hospital

এ দিবসেই চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদ্ধোধন করা হবে।আমরা সকলের মতামতের ভিত্তিতে বিজয় মেলার কার্যক্রম করে যাব। আমরা বিজয় মেলার মাধ্যমে আমাদের প্রজম্মকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ইতিহাস শিক্ষা দিতে পারি তাহলেই আমাদের স্বার্থকতা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর আমরা ভর করে বিজয় মেলা শুরু হয়নি। চাঁদপুরের বিজয় মেলা আছে, থাকবে। এ মেলা চলবে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন শুনে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিলাম। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় জয় বাংলা শ্লোগান দিয়েছি। কোনো হত্যাকেই অস্বিকার করা ঠিকনা। ইতিহাস ইতিহাসের জায়গায় রাখা প্রয়োজন। আমরা এদেশের ৯৫ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগ করেছি। সাংস্কৃতিক কর্মীরা সব সময় স্বাধীনতার কথা বলে তাদের অনুষ্ঠান করে থাকে।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিজয় মেলার চেয়ারম্যান অ্যাডঃ বদিউজ্জামান কিরণ, উপদেষ্টা ডাঃ সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, আব্দুল হামিদ মাস্টার, ডেপুটি কমান্ডার ইয়াকুব আলী মাস্টার, সাবেক মহাসচিব ও স্টিয়ারিং কমিটির সহ সভাপতি অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, সদস্য শহিদ পাটোয়ারীর , ভাইস চেয়ারম্যান অজিত সাহা, অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভূইয়া, তাফাজ্জল হোসেন পাটোয়ারী এসডু, যুগ্ম মহাসচিব  অ্যাডঃ  সাইয়েদুল ইসলাম বাবু, রহিম বাদশা, সাংস্কৃতিক পরিষদের আহ্বায়ক তপন সরকার, নাট্য পরিষদের সদস্য সচিব এম আর ইসলাম বাবু।

আরো উপস্থিত ছিলেন মেলার কর্মকর্তা  মহসিন  পাঠান, আবুল কালাম চিশতী, সোহেল রুশদী, গিয়াসউদ্দিন মিলন, এএইচএম আহসান উল্লাহ, শরিফ চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান সুমন, প্যানেল মেয়র অ্যাডঃ হেলাল হোসাইন, মির্জা জাকির, সোহেল রুশদি, নাট্য পরিষদের আহ্বায়ক গোবিন্দ মণ্ডল, ‌মাঠ ও ম‌ঞ্চের সদস‌্য স‌চিব মা‌নিক দাস, মি‌ডিয়া ক‌মি‌টির স‌চিব কে এম মাসুদ, স্মৃ‌তি সংরক্ষণ প‌রিষ‌দের  আহবায়ক ম‌নির হো‌সেন মান্না, সদস‌্য স‌চিব অ‌ভি‌জিত রায়সহ আরো অনেকে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital