সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ঋন বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩, ১০:৫২ এম
ফরিদগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ঋন বিতরণ

ফরিদগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ঋন বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির সদস্যভূক্ত ২ নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন এর কৃষ্ণপুর কৃষক সমবায় সমিতি ও ১৪ নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন এর হর্নী কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের মাঝে ঋন বিতরণ করা হয়। এই দিন হর্নী কৃষক সমবায় সমিতির ৬ জন সদস্যের মাঝে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আবর্তক কৃষি ঋন এবং কৃষ্ণপুর কৃষক সমবায় সমিতির ৫ জন সদস্যদের মাঝে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা সোনালী কৃষি ঋন বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে এই ঋন বিতরণ করা হয়। ঋন বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম আজাদ জুয়েল, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মশিউর রহমান ভূইয়া, কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির পরিচালক বিল্লাল হোসেন তালুকদার, পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম, হর্নী কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি আতিকুর রহমান, ম্যানেজার মাওলানা মনির হোসেন,কৃষ্ণপুর কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সহ সদস্য বৃন্দ।

ঋন বিতরণকালে কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম আজাদ জুয়েল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে, আর এই এগিয়ে যাওয়ার পিচনে আপনাদের প্রান্তিক কৃষকদের অংশগ্রহণ রয়েছে, গ্রামিন অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা সহজ সর্থে জামানত বীহীন ঋন বিতরণ করছি, এখানে আপনাদেরকে অতিরিক্ত কোন টাকা খরচ করতে হয় না, ঋন আবেদনের ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপনারা ঋন পেয়ে যাচ্ছেন।

Model Hospital

দেশের ৪০ শতাংশ দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী ছিলো যা বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারনে এখন ১৪ শতাংশে এসেছে, বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার আবারো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারলে এই দারিদ্র্যের হার আরো কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন সরকার গ্রাম হবে শহর এই স্লোগান কে সামনে রেখে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদের জীবন জীবিকার মান উন্নয়ন এবং এর আলোকে অবকাঠামো উন্নয়ন এর উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এই ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা চাই সরকারের ধারাবাহিকতা।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।