বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মেঘনায় ট্রলারে ডাকাতি, চিনি-ভোজ্য তেল উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩, ২:৫০ পিএম
মেঘনায় ট্রলারে ডাকাতি, চিনি-ভোজ্য তেল উদ্ধার
নারায়গঞ্জ থেকে কেনা খুলনার ব্যবসায়ীদের চিনি ও ভোজ্য তেল পরিবহনের সময় ডাকাতের কবলে পড়ে পন্যবাহী ট্রলার। চাঁদপুরের মতলব উত্তর দশানি লঞ্চঘাট এলাকায় ডাকাত দলের সদস্যরা ট্রলারে থাকা ৫জনকে হাত পা বেধে নদীর পাশে চরে ফেলে দিয়ে ৩৩০ ড্রাম ভোজ্য তেল (সয়াবিন) ও ৬শ’ বস্তা চিনি নিয়ে যায়।
শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কবর আলী খান এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে নারায়নগঞ্জ থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পন্যবাহী ট্রলার মতলব উত্তর উপজেলার দশানী লঞ্চঘাট এলাকায় আসলে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলার কবলে পড়ে। এ সময় ট্রলারে থাকা মুকবুল গাইয়ুম, মোহাম্মদ হোসেন গাজী, মনির হোসেন, আবুল হোসেন ও জয়নাল আবেদীন নামে ট্রলারের শ্রমিকদেরকে ডাকাতরা হাত পা বেধে নদীর পাশে চরে ফেলে দেয়। তবে এই ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
এই ঘটনায় মতলব উত্তর থানায় মামলা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে।
এই ঘটনায় ডাকাতি হওয়া ১৩৪ বস্তা চিনি চাঁদপুর সদরে এবং ৪০ ড্রাম ভোজ্যতেল কুমিল্লার দাউদকান্দি থানা পুলিশ উদ্ধার করে। বাকী মাল উদ্ধার ও ডাকাত সদস্যদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
চাঁদপুর সদরের কানুদী বাজারের ইদ্রিস ব্যাপারী ও ট্রলার মাঝি জহির উদ্দিন জানান, স্থানীয় ট্রলারের মাঝি ওয়াসিম ও জসিম পাটোয়ারী ট্রলার বোঝাই করে চিনির বস্তায় এনে কানুদি বাজারের গোলাপ পাটোয়ারীর দোকানে রাখে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ট্রলারের দুই মাঝিকে আটকে রেখে আমরা পুলিশে খবর দেই। পরে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ এসে চিনির বস্তা উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ডাকাতি হওয়া মালের মালিকদের মধ্যে খুলনার ব্যবসায়ী সোনালী এন্টারপ্রাইজের প্রদীপ সাহা জানান, ট্রলারে থাকা মালগুলো হচ্ছে-সোয়েব ব্রাদার্স, সাহা ট্রেডিং, সাহা ট্রেডার্স, নিপা এন্টারপ্রাইজ, আরএম এন্টারপ্রাইজ, তপন ট্রেডার্স, রাজীব ট্রেডার্স, ইলিয়াস স্টোর ও সিরাজুল ইসলামসহ আরো কয়েকজন ব্যবসায়ীর। চিনি, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পন্য সামগ্রী নারায়নগঞ্জ থেকে ক্রয় করে আমরা খুলনায় ট্রলার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতের কবলে পড়ে। তবে ট্রলারে থাকা মাল ও ডাকাতি হওয়া মাল এখন পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা হয়নি।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নের কানুদী বাজারে একটি দোকানের সামনে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১১৮ বস্তা ও শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে একই স্থান থেকে ১৬ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে চিনির বস্তাগুলো থানা হেফাজতে রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।