বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের পঞ্চাশ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩, ৬:৫১ এম
চাঁদপুরের পঞ্চাশ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে চাঁদপুরের প্রায় ৫০টি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে। গত ২২ মার্চ আরব দেশগুলোর সাথে রোজা রাখা শুরু করে এসব গ্রামের লোকজন। ২৯ রোজা পূর্ণ করেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন তারা।

শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় সাদ্রা দরবার শরীফ ময়দান ও ১০টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের পৃথক দুটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবারের পীর আল্লামা মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী ও মাওলানা মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী।

এদিকে সকাল ৯টায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার টোরা মুন্সীরহাট জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. রহমত উল্যাহ।

এছাড়াও সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মণিহার, বড়কূল, অলিপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর, ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, বাসারা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট, মতলবের মোহনপুর, এখলাশপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলী, শহারাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক এলাকায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।

Model Hospital

সকাল থেকেই ঈদের জামায়াতের প্রস্তুতি চলে এসব গ্রামে। মুসল্লীরা আসতে শুরু করেন ময়দানে। কোথাও মসজিদ আবার কোথাও ঈদগাতে অনুষ্ঠিত ঈদের জামায়াত। নামাজের পূর্বে রোজা পরবর্তী করনীয়, নামাজ, জাকাত অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন ইমামগণ।

আগাম দুই ঈদ ও রোজা পালনের এই রীতি চালু হয় ১৯২৮ সাল থেকে। ওই এলাকার প্রখ্যাত আলেম মাওলানা ইসহাক (রহ.) এই আগাম ঈদ উদযাপন ও রোজা পালনের প্রচলন শুরু করেন। এরপর থেকে তার অনুসারী লোকজন এই ভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছেন। প্রথম পর্যায়ে এই ঈদ পালন নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এক সময় অনুসারী বাড়তে থাকে।

মরহুম ঈসহাক (রহ.) এর ছেলে মুফতী জাকারিয়া আল-মাদানী জানান, অনেক গনমাধ্যমে এই বিষয়টি সঠিকভাবে লেখা হয় না। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে নয় বরং ইসলামের রীতি অনুযায়ি কুরআন, হাদীসসহ অন্য কিতাবগুলোর স্পষ্ট বর্ননার আলোকে আমরা ঈদ উদযাপন করে আসছি। অর্থাৎ সর্বপ্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা রাখি এবং ঈদ উদযাপন করি।

দেশের প্রায় অঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষ তাঁদের অনুসারী হিসেবে একদিন আগে রোজা রাখেন ও ঈদ উদযাপন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital