ট্যাক্স আদায় কারীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার
মুলা চুরি কোন ফাঁসি হয় না : হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার
চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ঢ়ারীর বিরুদ্ধে বাগদা জেলেদের কাছে থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিটি বাগদা জেলে নৌকা থেকে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে বাগদা জেলেদের কাছে থেকে ৫শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে বলে জেলে ও স্থানীয়রা সংবাদাকর্মীদের জানিয়েছে।

এ নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছ।
জানা যায় হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান ট্যাক্স আদায় কারী দিয়ে বাগদা জেলেদের কাছ থেকে ৫শত টাকা করে নিচ্ছেন, বেশ কয়েকদিন যাবৎ তিনি এ নিয়মের মহা উৎসবে মেতে উঠেছেন। গত দেড় বছর পূর্বে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একদিন পূর্বে হানারচর ইউপি নির্বাচন নিয়ে আদালতে সরনাপন্ন হয়ে নির্বাচন বন্ধ করেন। সে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর সাত্তার ঢ়ারী চেয়ারম্যানের পদ বহাল থাকে। এরপর থেকেই তিনি ক্ষমতায় থাকছে, একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছে। জেলেদের চাল বিতরণ নিয়ে ও তিনি জেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে রয়েছে। ইউনিয়নের চলাচলকারী নৌকা থেকে দিনে-দুপুরে এই চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদা দিতে রাজি না হলে নৌকায় থাকা জেলে শ্রমিকদের লাঞ্ছিত এবং মারধর করে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা। ফলে বাগদা জেলেদের ব্যাপক হারে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে হানারচর ইউনিয়নের ট্যাক্স আদায়কারী আলী আহমেদ হাওলদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন প্রতি রোববার বাগদা জেলেদের কাছ থেকে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে চেয়ারম্যান ৫শত টাকা করে চাঁদা নিচ্ছে। আমি চেয়ারম্যানের হুকুম পালন করছি। এ নিয়ে জেলেদের সাথেও ঝগড়া করতে হয়।

এ বিষয়ে হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ঢ়ারী বলেন, ঘটনাটি সত্যি নয়, একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। তিনি বলেন আমাদের মানসম্মান নষ্ট করে লাভ কি ভাই, সাংবাদিকদের সাথে চেয়ারম্যানের সব সময় সুসম্পর্ক থাকে, কথার এক পর্যায়ে তিনি বলেন মুলা চুরি কোন ফাঁসি হয় না, রাখি ভাই, এ বলে লাইন কেটে দেন।









