বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সেই কোরআনে হাফেজ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৩ জন জেলহাজতে

বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩, ৩:৩৯ পিএম
সেই কোরআনে হাফেজ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৩ জন জেলহাজতে

কোরআনে হাফেজ আবদুল্লাহ আল কাউছার হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। হাজীগঞ্জ থানায় এ বিষয়ে প্রথমে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তার বাবা মোস্তফা কামাল বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

সোমবার সকালে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ মাষ্টার পাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের গর্ত থেকে ওই কোরআনে হাফেজ আব্দুল্লাহ আল কাউছার (১৭) এর মৃতদেহ ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ময়না তদন্ত শেষে তার নানার বাড়ি এনায়েতপুরে দাফন করা হয়। এদিকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ।

তারা হলেন, উপজেলার হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাউড়া গ্রামের হেলাল উল্যাহ ছেলে ও পৌরসভাধীন ৬নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ গ্রামের মাস্টার পাড়ার মুদি দোকানদার ফয়েজুল্লাহ্ ফয়েজ (২৪), পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমূড়া গ্রামের মো. মহিউদ্দিনের ছেলে শাহ্ মোহাম্মদ সিফাত (১৮) ও ৬নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ গ্রামের মো. জাকির হোসেন মোহনের ছেলে মো. মুনতাসির মামুন নিরব (১৭)।

Model Hospital

কাউছার চাঁদপুর সদরের রামদাসদীর মোস্তফার ছেলে। তারা হাজীগঞ্জের মকিমাবাদ এলাকায় ৩ বছর ধরে ভাড়া থাকে। তিন ভাই বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। বাবা পেশায় একজন চালক।

রোববার রাতে লিফটের গর্তে প্রবাসী আজিজুর রহমানের ভবনের প্রহরী ছাবের আহাম্মদ ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম মৃতদেহ দেখতে পায়। শেষ রমজানের দিন থেকে সে নিখোঁজ হয়।

প্রহরী ছাবের আহাম্মদ ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম জানান , নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ের মালামাল দেখার জন্য ২য় তলায় যান। মালামাল দেখে আসার সময় নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ের নিচ তলা লিফটের ফাঁকা গর্তে টর্চ লাইট মারলে লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও থানায় গিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন তারা।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জোবায়ের সৈয়দ জানান, মৃতদেহের মুখের বাম পাশে ও মাথার বাম পাশে থেতলানো এবং মাথার পিছনের অংশে ফাটা জখম রয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে একটি হত্যা কান্ড বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। পরিবারের তথ্য মতে কয়েকজনকে আটক করেছি। তার মধ্য তিন জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।