ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদের সেই সোনার মানুষ কই?

বিনা টিকেটে ফয়সালের ট্রেন ভ্রমন!

বড় মেয়েকে দেখতে বউয়ের মন কাঁদে তাই তিনি চট্টগ্রাম যাবেন। তাঁর আবদার আমাকেও সাথে যেতে। তিনি ইদানীং কেন যেন আমাকে নিয়ে বেড়াতে যাবার বেশি আবদার করেন। কিন্তু আমি বরাবরই একটু বেশি বউকে এড়িয়ে যাই। বিয়ের বয়স ২৮ বছর। যদিও ১৯৯৬ সাল বিয়ের দুই বছর পর ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে ১৪ দিন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সেন্ট মাটিন বেড়াতে গিয়েছি।তরপর আর ১/২ দিনের স্বল্প সময় ছাড়া তেমন কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়নি। বউ’র সাথে ঘুরতে যাওয়ার আবদার রক্ষা করতে শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম আমিও যাবো। কিন্তু আগে থেকেই বউ-কন্যার জন্য টিকেট বুকিং দিয়ে রেখেছি। তাই ২টি সীট কনর্ফাম ছিলো। আমার টিকেট হয়েছে দাঁড়িয়ে। ভাবলাম প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দাঁড়িয়ে যাওয়া কি করে সম্ভব? যেহেতু বউ আর মেয়ের সীট আছে কোনভাবে তিনজন বসা যাবে, যেতে পারবো! যথারীতি চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা আমাদের ট্রেন ৬:১৩ টায় চিতোষী রেলস্টেশন এসে থামলো। ট্রেন থামতেই কে কার আগে উঠবে প্রতিযোগিতা করে ট্রেন উঠলাম।

Model Hospital

খোঁজাখুজি করে সীট পেলান দেখি ২ ভদ্রলোক সীটে পা তুলে বসে আছে। কাছে গিয়ে বললাম এই সীট ২টির টিকেট আমরা নিয়ে এসেছি অনুগ্রহ করে বসতে দিবেন? বসা দুই ব্যক্তি জবাবে বললেন আমাদের কাছ থেকে টিটিই ২০০ টাকা করে নিয়ে এই সীটে বসতে দিয়েছে! জানতে চাইলাম আমরাতো কাউন্টার থেকে টিকেট কেটেছি। আপনাদের টিকেট আছে? জবাবে জানালেন, টিকেট দেয়নি পাশের সীটে বসা এক যাত্রী বললেন টিকেট না থাকলে উঠে ওনাদেরকে বসতে দিন। বসা দুই ব্যক্তি অস্পষ্ট ভাবে বিড়বিড় করে কিছু বলতে বলতে উঠে সীট ছেড়ে দিয়ে কম্পার্টমেন্টের খালি আর একটি সীটে গেয়ে বসলো। আমাদের ট্রেনের কম্পাটমেন্টের আর একটি সীটে বসা ফয়সাল নামের ১২/১৩ বছর বয়সী এক কিশোর বসা।

পাশের এক ভদ্রলোক কি যেন তার কাছ থেকে জানতে চাইছিলো কিশোর ফয়সাল জানালো টিটিই তার কাছ থেকে ১৫০ টাকা নিয়ে এই সীটে বসতে দিয়েছে। কিছুক্ষণ পর ঐ সীটের টিকেট করা এক ব্যক্তি এসে কিশোর ছেলেটিকে সীট থেকে উঠিয়ে দিয়ে ঐ সীটে তিনি বসে পড়েন। কিশোর ফয়সাল জানালো সে বরিশাল থেকে এসেছে চট্টগ্রাম যাবে তার বাবার কাছে। বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলাম বারবার মনে হলো কিশোর ফয়সাল এর সাথে টিটিই সীট না দিয়ে ১৫০ টাকা নিয়ে অন্যায় করেছে? হয়তো কিশোর ফয়সাল ভবিষ্যতে এভাবে ট্রেনে ভ্রমন করবে। আজ টিটিইকে টাকা দেয়ার পরও সীট না পাওয়ার ঘটনা তার কোমল মনে রেখাপাত করবে। আমাদের ট্রেন চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লাকসাম জংশন থেকে যাত্রা শুরু করলো। ট্রেনে পথে পথে নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ উঠছে আর নামছে। পথিমধ্যে ফেণী জংশন ছেড়ে আসতেই আমাদের কম্পাটমেন্টে টিটিই টিকেট চেক করতে আসে। খেয়াল করলাম দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু সংখ্যক যাত্রী বিনা টিকেটে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন। এদের অধিকাংশই আগেই টিটিইকে টিকেটের ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন। এদের দেয়া ভাড়ার টাকা কোথায় জমা হবে? কিশোর ফয়সল ভাড়া পরিশোধ করেও কেন সীট থেকে উঠে যেতে হল?

প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় বাজেট ঘোষণা করার পর দেখা যায় রেলপথে হাজার কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট দিতে হচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ যাত্রী হিসেবে যারা শুধু চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম যাতায়াত করি তারা টাকা দিয়ে টিকেট পাইনা কিন্তু ট্রেনে উঠে যখন দেখি রেলের কতিপয় কর্মকর্তার আস্কারা পেয়ে টিটিইরা রেলের এত বড় পুকুর চুরি করছে তার প্রতিকারে সংশ্লিষ্টদের কেউ কি কোন উদ্যোগ নিবেন? আমরা এর প্রতিকারের জোর দাবি করছি।

যথারীতি আমাদের ট্রেন ৯:২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম বটতলী স্টেশন গিয়ে পৌঁছে। আজকের ভ্রমনে প্রতিনিয়ত যা দেখি তা-ই দেখলাম। হকারদের হাঁকডাক, অন্ধদের টাকা চেয়ে সূর করে গান,মসজিদ-এতিমখানার জন্য রিসিট দেখিয়ে টাকা তোলা, চকলেট দিয়ে টাকা চাওয়া, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেয় টাকা চাওয়ার আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি সহ অতিরিক্ত যাত্রী সীটে বসা যাত্রীদের ঘাড়ের উপর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা।

তবে আশার কথা ফিরতি ট্রেনের টিকেট পেতে ৩ মিনিটের কম সময়ে কোন প্রকার হয়রানী ছাড়া অতিরিক্ত ৫ টাকা বেশি দিয়ে পাওয়া যা রেল ভ্রমনে আমার সাথে একটি ইতিহাস বলতে পারি।

বর্তমান সরকার রেলপথ উন্নয়নে নানান উদ্যোগ নিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দেশের মানুষকে একটি সুখি সমৃদ্ধশালী দেশ উপহার দিতে। কিন্তু তার ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা দায়িত্ব প্রাপ্তরা কি তাঁর সিদ্ধান্ত বা কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন? কিন্তু পুরো দেশে চলমান উন্নয়ন কাজের সঠিকতা যাচাই করা তাঁর পক্ষে আদৌ কি সম্ভব? এর জবাব কি হওয়া উচিৎ প্রিয় পাঠক? এদেশ আমার আপনার আমাদের সবার। এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে যারা দায়িত্ব প্রাপ্ত তাদেরকে এর দায় নিতে হবে। সরকারি প্রকল্প বা যেকোন উন্নয়ন কাজে ত্রুটির জন্য কারা দায়ী? আর কারা রেলের রাজস্বের অর্থ লোপাটে দায়ী তাদেরকে জবাব দিহিতার আওতায় আনতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে এটা আমজনতার দাবি।

আমরা আর রেলের রাজস্ব ঘাটতি দেখতে চাই না। আমরা চাই বঙ্গবন্ধুর চোখে দেখা সোনার বাংলা। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরও আমরা আমাদের অধিকার আদায়ের কথা এভাবে বলতে হবে এটা আমরা আশা করিনি।এবিষয়ে যত দ্রুত উদ্যোগ নেয়া হবে ততই দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল হবে। আমরা এমন উদ্যোগ দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদের সেই সোনার মানুষ খুঁজছি

লেখক পরিচিতি : মো: রুহুল আমিন
সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী
e-mail: [email protected]
Mobile no : 01853-778013; 01712-295706; 01839-600296.

ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদের সেই সোনার মানুষ কই?

বিনা টিকেটে ফয়সালের ট্রেন ভ্রমন!

আপডেট সময় : ১০:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

বড় মেয়েকে দেখতে বউয়ের মন কাঁদে তাই তিনি চট্টগ্রাম যাবেন। তাঁর আবদার আমাকেও সাথে যেতে। তিনি ইদানীং কেন যেন আমাকে নিয়ে বেড়াতে যাবার বেশি আবদার করেন। কিন্তু আমি বরাবরই একটু বেশি বউকে এড়িয়ে যাই। বিয়ের বয়স ২৮ বছর। যদিও ১৯৯৬ সাল বিয়ের দুই বছর পর ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে ১৪ দিন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সেন্ট মাটিন বেড়াতে গিয়েছি।তরপর আর ১/২ দিনের স্বল্প সময় ছাড়া তেমন কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়নি। বউ’র সাথে ঘুরতে যাওয়ার আবদার রক্ষা করতে শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম আমিও যাবো। কিন্তু আগে থেকেই বউ-কন্যার জন্য টিকেট বুকিং দিয়ে রেখেছি। তাই ২টি সীট কনর্ফাম ছিলো। আমার টিকেট হয়েছে দাঁড়িয়ে। ভাবলাম প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দাঁড়িয়ে যাওয়া কি করে সম্ভব? যেহেতু বউ আর মেয়ের সীট আছে কোনভাবে তিনজন বসা যাবে, যেতে পারবো! যথারীতি চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা আমাদের ট্রেন ৬:১৩ টায় চিতোষী রেলস্টেশন এসে থামলো। ট্রেন থামতেই কে কার আগে উঠবে প্রতিযোগিতা করে ট্রেন উঠলাম।

Model Hospital

খোঁজাখুজি করে সীট পেলান দেখি ২ ভদ্রলোক সীটে পা তুলে বসে আছে। কাছে গিয়ে বললাম এই সীট ২টির টিকেট আমরা নিয়ে এসেছি অনুগ্রহ করে বসতে দিবেন? বসা দুই ব্যক্তি জবাবে বললেন আমাদের কাছ থেকে টিটিই ২০০ টাকা করে নিয়ে এই সীটে বসতে দিয়েছে! জানতে চাইলাম আমরাতো কাউন্টার থেকে টিকেট কেটেছি। আপনাদের টিকেট আছে? জবাবে জানালেন, টিকেট দেয়নি পাশের সীটে বসা এক যাত্রী বললেন টিকেট না থাকলে উঠে ওনাদেরকে বসতে দিন। বসা দুই ব্যক্তি অস্পষ্ট ভাবে বিড়বিড় করে কিছু বলতে বলতে উঠে সীট ছেড়ে দিয়ে কম্পার্টমেন্টের খালি আর একটি সীটে গেয়ে বসলো। আমাদের ট্রেনের কম্পাটমেন্টের আর একটি সীটে বসা ফয়সাল নামের ১২/১৩ বছর বয়সী এক কিশোর বসা।

পাশের এক ভদ্রলোক কি যেন তার কাছ থেকে জানতে চাইছিলো কিশোর ফয়সাল জানালো টিটিই তার কাছ থেকে ১৫০ টাকা নিয়ে এই সীটে বসতে দিয়েছে। কিছুক্ষণ পর ঐ সীটের টিকেট করা এক ব্যক্তি এসে কিশোর ছেলেটিকে সীট থেকে উঠিয়ে দিয়ে ঐ সীটে তিনি বসে পড়েন। কিশোর ফয়সাল জানালো সে বরিশাল থেকে এসেছে চট্টগ্রাম যাবে তার বাবার কাছে। বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলাম বারবার মনে হলো কিশোর ফয়সাল এর সাথে টিটিই সীট না দিয়ে ১৫০ টাকা নিয়ে অন্যায় করেছে? হয়তো কিশোর ফয়সাল ভবিষ্যতে এভাবে ট্রেনে ভ্রমন করবে। আজ টিটিইকে টাকা দেয়ার পরও সীট না পাওয়ার ঘটনা তার কোমল মনে রেখাপাত করবে। আমাদের ট্রেন চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লাকসাম জংশন থেকে যাত্রা শুরু করলো। ট্রেনে পথে পথে নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ উঠছে আর নামছে। পথিমধ্যে ফেণী জংশন ছেড়ে আসতেই আমাদের কম্পাটমেন্টে টিটিই টিকেট চেক করতে আসে। খেয়াল করলাম দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু সংখ্যক যাত্রী বিনা টিকেটে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন। এদের অধিকাংশই আগেই টিটিইকে টিকেটের ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন। এদের দেয়া ভাড়ার টাকা কোথায় জমা হবে? কিশোর ফয়সল ভাড়া পরিশোধ করেও কেন সীট থেকে উঠে যেতে হল?

প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় বাজেট ঘোষণা করার পর দেখা যায় রেলপথে হাজার কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট দিতে হচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ যাত্রী হিসেবে যারা শুধু চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম যাতায়াত করি তারা টাকা দিয়ে টিকেট পাইনা কিন্তু ট্রেনে উঠে যখন দেখি রেলের কতিপয় কর্মকর্তার আস্কারা পেয়ে টিটিইরা রেলের এত বড় পুকুর চুরি করছে তার প্রতিকারে সংশ্লিষ্টদের কেউ কি কোন উদ্যোগ নিবেন? আমরা এর প্রতিকারের জোর দাবি করছি।

যথারীতি আমাদের ট্রেন ৯:২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম বটতলী স্টেশন গিয়ে পৌঁছে। আজকের ভ্রমনে প্রতিনিয়ত যা দেখি তা-ই দেখলাম। হকারদের হাঁকডাক, অন্ধদের টাকা চেয়ে সূর করে গান,মসজিদ-এতিমখানার জন্য রিসিট দেখিয়ে টাকা তোলা, চকলেট দিয়ে টাকা চাওয়া, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেয় টাকা চাওয়ার আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি সহ অতিরিক্ত যাত্রী সীটে বসা যাত্রীদের ঘাড়ের উপর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা।

তবে আশার কথা ফিরতি ট্রেনের টিকেট পেতে ৩ মিনিটের কম সময়ে কোন প্রকার হয়রানী ছাড়া অতিরিক্ত ৫ টাকা বেশি দিয়ে পাওয়া যা রেল ভ্রমনে আমার সাথে একটি ইতিহাস বলতে পারি।

বর্তমান সরকার রেলপথ উন্নয়নে নানান উদ্যোগ নিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দেশের মানুষকে একটি সুখি সমৃদ্ধশালী দেশ উপহার দিতে। কিন্তু তার ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা দায়িত্ব প্রাপ্তরা কি তাঁর সিদ্ধান্ত বা কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন? কিন্তু পুরো দেশে চলমান উন্নয়ন কাজের সঠিকতা যাচাই করা তাঁর পক্ষে আদৌ কি সম্ভব? এর জবাব কি হওয়া উচিৎ প্রিয় পাঠক? এদেশ আমার আপনার আমাদের সবার। এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে যারা দায়িত্ব প্রাপ্ত তাদেরকে এর দায় নিতে হবে। সরকারি প্রকল্প বা যেকোন উন্নয়ন কাজে ত্রুটির জন্য কারা দায়ী? আর কারা রেলের রাজস্বের অর্থ লোপাটে দায়ী তাদেরকে জবাব দিহিতার আওতায় আনতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে এটা আমজনতার দাবি।

আমরা আর রেলের রাজস্ব ঘাটতি দেখতে চাই না। আমরা চাই বঙ্গবন্ধুর চোখে দেখা সোনার বাংলা। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরও আমরা আমাদের অধিকার আদায়ের কথা এভাবে বলতে হবে এটা আমরা আশা করিনি।এবিষয়ে যত দ্রুত উদ্যোগ নেয়া হবে ততই দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল হবে। আমরা এমন উদ্যোগ দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদের সেই সোনার মানুষ খুঁজছি

লেখক পরিচিতি : মো: রুহুল আমিন
সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী
e-mail: [email protected]
Mobile no : 01853-778013; 01712-295706; 01839-600296.