শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ চড়া দামে বিক্রি! সাধারন ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩, ১১:২৯ পিএম
চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ চড়া দামে বিক্রি! সাধারন ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী-চাঁদপুর: চাঁদপুর নৌ-সীমানার পদ্মা-মেঘনার রুপারী ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। যা’সাধারন ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নৌযান দিয়ে সব ধরনের মাছ শিকার নিষিদ্ধ। দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছঘাটে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইলিশের আমদানি নেই। যে কারণে পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের আহরিত স্বল্প সংখ্যক রূপালী ইলিশ খুবই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজি ওজনের একটি ইলিশের পাইকারী মূল্য ৬ হাজার ৪’ শ টাকা। সে হিসেবে এক ইলিশের দামে সাড়ে ৮ কেজি গরুর গোশত পাওয়া যাবে। অর্থাৎ চাঁদপুরে প্রতি কেজি গরুর গোশত বিক্রি হয় ৭৫০টাকা।

বুধবার (৩১ মে) বিকেলে মাছঘাটে গিয়ে দেখাগেল নিরবতা। আগের মত সরগরম নেই মাছঘাট। মাত্র কয়েকজন ব্যবসায়ী স্থানীয় পদ্মা-মেঘনার কিছু ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ বিক্রি করছেন। পাইকারী বিক্রির জন্য নেই কোন হাকডাক। ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। অনেক আড়তে ব্যবসায়ী শ্রমিকরা অবসর বসে আছেন, আবার কেউ আড়তেই ঘুমাচ্ছেন।

শাহরাস্তি থেকে তাজা ইলিশ ক্রয় করতে এসেছেন ফয়েজ আহমেদ। তিনি বলেন, ইলিশের দাম অনেক বেশী। দুটি ৭০০ গ্রামের ইলিশ কিনেছি ২হাজার ৫শ’ টাকা দিয়ে। ধারণা ছিলো দেড় হাজারের মধ্যে কিনতে পারব। তবে সাগরের ইলিশ নয়, সে জন্য বেশী দামে নিয়েছি।

ঢাকা থেকে কয়েকজন যুবক ইলিশ ক্রয় করতে এসেছেন। তারা দরদাম করছেন। কিন্তু তাদের বাজেটের মধ্যে না হওয়ায় কিনতে পারছে না। আড়ৎ ঘুরে ঘুরে দেখছেন। প্রায় প্রত্যেক আড়তেই দুই কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০টাকা। পাশের আড়তে গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার ৮০০টাকা। পোয়া মাছ প্রতিকেজি ৪৫০ থেকে সাড়ে ৫০০টাকা।

Model Hospital

মেসার্স ভাই ভাই মৎস্য আড়তের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ইলিশ প্রতিমণ ক্রয় করেছি ৮১হাজার টাকা মণ। আর দুই কেজি সাইজের ইলিশ প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকা। ছোট সাইজের ইলিশ কম।

খুচরা ইলিশ বিক্রেতা মো. শাহীন বলেন, কম দামে ইলিশ কেনা যায় না, বিক্রি করবো কিভাবে। কিছু ক্রেতা আছেন, যারা চাঁদপুরের বাহির থেকে আসেন। স্থানীয় পদ্মা-মেঘনার ইলিশ হলে তারা দামের কথা চিন্তা করেন না। বেশী দাম হলেও ক্রয় করেন। আমরা কাছে বড় সাইজের ইলিশ বেশী। দুই কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি করছি প্রতি কেজি ৩ হাজার ২০০টাকা।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, এই সময়ে ইলিশ কমই পাওয়া যায়। আশা করছি জুলাই মাস থেকে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের প্রাপ্যতা বাড়বে। এছাড়াও সরকারিভাবে মা ইলিশ ও জাটকা ইলিশের নিষাধাজ্ঞা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় এখন জেলেরা কিছু সংখ্যক পরিপক্ক বড় সাইজের ইলিশ পাচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital