বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশুর চিকিৎসায় পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েলের ১ লাখ টাকা অনুদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৫৫ পিএম
শিশুর চিকিৎসায় পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েলের ১ লাখ টাকা অনুদান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুরে অসহায় এক পরিবারের শিশুর হাটের হৃদপিন্ড ফুটার চিকৎসার জন্য নিজ তহবিল থেকে ১লাখ টাকা সহায়তা কররেন পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল। মেয়র জিল্লুর রহমানের এ মানবিক সহায়তা ও উদারতায় শিশু ইয়ামিন গাজী(৬) অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করে পৃথিবীর আলো দেখার স্বপ্ন দেখছে।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল তার পৌরসভার কাযার্লয়ে জন্ম থেকে হৃদপিন্ড ফুটা শিশু ইয়ামিনের পিতা মো: আলমগীর হোসেন গাজীর হাতে নগদ ১ লাখ টাকা সহায়তা হিসেবে তুলে দেন। এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আলী মাঝিসহ সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে শিশু ইয়ামিন গাজী ঢাকা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের (কার্ডিওলজী ) বিভাগের চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা: সোমায়রা নাসরিনের তত্তাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসক বলেছে শিশুটির চিকিৎসায়( অপারেশন) করাতে  ৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে।

মেয়রের এ ধরনের মানবিক উদারতায় সকলের কাছে তিনি প্রশংসার দাবীদার হয়েছেন। অনেকে বলেছেন,এ সমাজে কে বর্তমানে কার জন্য করে। তবুওতো মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল বড় ধরনের এক উদারতা দেখালেন।

Model Hospital

শিশু ইয়ামিন পৌর শহরের পুরানবাজার ২নং-ওয়ার্ডের ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ী আলমগীর গাজী ও মাতা:- শাহনাজ বেগমের সন্তান। সে জন্ম লগ্ন থেকে দীর্ঘ ৬টি বছর হার্টের ছিদ্রের ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কষ্টভোগ করে যাচ্ছে।

তার গরীব পিতা আলমগীর গাজী জানান, আমার ছেলে জন্মের পর থেকে হাটের হৃদপিন্ড ফুটার কারনে সে অনেক কষ্ট পাচ্ছে। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী যা’অর্থছিল তাদিয়ে চিকিৎসা করিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছি। তার পরও তাকে সুস্থ করতে পারিনি।

ঢাকা পপুলার হাসপাতাল ও হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎক আব্দুর রাজ্জাকের পরামর্শে চিকিৎসা চালিয়ে যাই। চিকিৎসক জানিয়েছে,তার হৃদপিন্ড ফুটার অপারেশন করতে কয়েক লাখ টাকা লাগবে। তাই সমাজের অনেক বৃত্তবানের কাছে গিয়ে সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছি। কেহ সহায়তায় এগিয়ে আসেনি।

শিশু ইয়ামিনের পিতা আলমগীর গাজী জানান, বর্তমানে ঢাকা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ( শিশু কার্ডিওলজী ) বিভাগের চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা: সোমায়রা নাসরিন তার ছেলের হার্ট ছিদ্রের চিকিৎসা করতে রাজি হয়েছেন। তিনি বলেছেন,আগামী ২২ডিসেম্বর শিশু ইয়ামিনকে হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য। শিশুর চিকিৎসায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হবে।

২২ডিসেম্বর ভর্তি করলে সকল পরিক্ষা নিরিক্ষার পর তাকে ২৬ ডিসেম্বর হাটের হার্ট ছিদ্রের চিকিৎসার জন্য অপারেশন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।