বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন

প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী ৬৭ প্রার্থী

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩, ১১:৫৯ পিএম
প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী ৬৭ প্রার্থী

আজ সোমবার প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পরবর্তী দিন প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দের কথা রয়েছে। এ হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সোমবার সব প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে সোমবার থেকে প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন। ফলে এদিন থেকেই প্রার্থীরা জোরেশোরে প্রচারণা শুরু করবেন। ছেংগারচর পৌরসভায় আগামী ১৭ জুলাই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ইভিএম পদ্ধতিতে।

জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, মেয়র পদে ৪ জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৩ জন এবং ৯ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আরিফ উল্যাহ সরকার, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ছেংগারচর পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. সেলিম হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক সরকার ও বিএনপি নেতা আবদুল ওয়াদুদ মাষ্টার।

প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে ছেংগারচর পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, আমরা সোমবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেব। বিধি অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রতীকই বরাদ্দ পাবেন। স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা অন্য প্রতীকগুলো থেকে পছন্দের বেছে নিতে পারবেন। তবে, কোনও প্রতীক একাধিক প্রার্থী পছন্দ করলে লটারির মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে।

Model Hospital

পৌরসভা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর জন্য মোট ৪০টি প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মেয়র পদে স্বতন্ত্রপ্রার্থীদের জন্য ১২টি প্রতীক, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের নির্বাচনের জন্য ১০টি ও সাধারণ আসনের জন্য ১২টি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে পাঁচ (স্বতন্ত্র) মেয়র ও চারজন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। রোববার (২৫ জুন) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেনের নিকট তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।

মেয়র পদে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন আমেনা বেগম, মো. নাছির উদ্দিন মিয়া, মো. আলাউদ্দিন, মো. মাহবুবুর রহমান সেলিম, মিজানুর রহমান। কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে আল-আমিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে আয়নাল হক বেপারী, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মুরাদ সিকদার ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মফিজল সিকদার মাহফুজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৩৩ হাজার ৩৩৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৭ হাজার ২জন ও নারী ভোটার ১৬ হাজার ৩৩৪ জন।

ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান ফরাজী রতন বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরিফ উল্যাহ সরকারের পিতা মরহুল অলিউল্যাহ সরকার দীর্ঘসময় ছেংগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন, তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা। এ পরিবার জনগণের সাথে সবসময়ই সম্পৃক্ত ছিলেন। তাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার নেতা-কর্মী ও ভোটাররা আনন্দিত।

নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আরিফ উল্যাহ সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নৌকা প্রতীক দিয়ে তাকে পৌরবাসীর কাছে পাঠিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী। নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের চেষ্টা করবেন।

জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. সেলিম হোসেন বলেন, পৌর এলাকায় জাতীয় পার্টির ব্যাপক ভোট রয়েছে। পল্লীবন্ধু হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সময়কালে এ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সেই উন্নয়নের কথা তুলে ধরা হবে ভোটারের কাছে। আমিও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী মো. নুরুল হক সরকার বলেন, আমার স্ত্রী আমেনা বেগম দুই বারের মেয়র ছিলেন এ পৌরসভার। তার সময়ে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

এছাড়াও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ মাষ্টার বলেন, আমি এ পৌরসভার সাবেক কমিশনার ছিলাম। ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় শিক্ষকতা করে আসছি। দলমত নির্বিশেষে সকরের কাছে আমার গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।