বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা গেজেটের অপেক্ষায়

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০২৩, ১১:৫৪ পিএম
নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা গেজেটের অপেক্ষায়

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন নির্বাচিত মেয়র, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলররা গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। গত ১৭ জুলাই ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মেয়র পদে জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী আরিফ উল্যাহ সরকার।

তিনজন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলররা হলেন, ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সালমা পাটোয়ারী (চশমা), ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আকলিমা বেগম (আনারস) এবং ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডের নুরুন নাহার (আনারস) নির্বাচিত হয় ।

সাধারণ কাউন্সিলররা হলেন, ১ নং ওয়ার্ডের সবুজ মিয়া, ২ নং ওয়ার্ডের মো. হারিছ খান, ৩ নং ওয়ার্ডের মো. জাহাঙ্গীর আলম , ৪ নং ওয়ার্ডের মোঃ শাহজালাল মুফতী , ৫ নং ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নান বেপারী, ৬ নং ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ সরকার , ৭ নং ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেন , ৮ নং ওয়ার্ডের শাহজাহান মোল্লা ও ৯ নং ওয়ার্ডের বোরহান উদ্দিন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়।

ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্ণিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন বলেন, ১৭ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরদিনই নির্বাচিত মেয়র, তিনজন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও ৯জন সাধারণ কাউন্সিলরের নাম গেজেট প্রকাশের জন্য নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে।

Model Hospital

গেজেট প্রকাশের পরপরই শপথ বাক্য পাঠ করানোর ব্যবস্থা করা হবে।

কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৬ পিএম
কচুয়ায় হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ দাবি ও পক্ষপাতের অভিযোগ
কচুয়ায় একটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং একপেশে প্রতিবেদন দাখিলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামলার বাদী মোছা. আছমা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ কচুয়া আমলি আদালতে ২৫৩/২০২৫ নম্বর মামলা হিসেবে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন আছমা। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডি চাঁদপুরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম।
বাদীর অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ওই কর্মকর্তা ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে যাচাই না করেই একপেশে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬ আইজিপির দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বাদী। এতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং অন্য কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিবাদী আসমা আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমার সন্তানের হত্যাকারীর বিচারের জন্য মামলা দায়ের করলে, সরজমিনে তদন্ত জন্য আদালত নির্দেশ দেয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. গোলাম আজম মামলা তদন্ত করতে আসলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমরা টাকা দেওয়ার পরও বিবাদীর কাছ থেকে আরো অধিক সুবিধা নিয়ে  একতরফা তদন্ত রিপোর্ট দেয়। আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালত, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।