বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চাঁসক মাঠে প্রথম আলো বন্ধুসভার পাঠচক্র

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৩, ২:৪৫ পিএম
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চাঁসক মাঠে প্রথম আলো বন্ধুসভার পাঠচক্র
যদি বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকাই তবে দেখবো যে কোনো একটি জাতিকে দমন ও নির্মূল করার জন্য দুটি অস্ত্র একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে। একটি গণহত্যা অপরটি ধর্ষণ। বাঙ্গালি জাতি হিসেবে আমাদেরও রয়েছে এক কলঙ্খিত ইতিহাস। ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আল-সামসরা নির্মমতার এক চিত্র এঁকেছিলেন।
একাত্তরে এদেশের নারীদের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পাশবিক নির্যাতন চালায়। সে সময় নির্যাতিত, লাঞ্চিত, নিগৃহীত নারীদের মধ্যে অনেকেরই জীবন প্রদীপ নিভে গিয়েছিল। আবার কেউ কেউ  হয়েছে অন্তঃসত্ত্বা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্যাতিতদের নামের পাশে বীরাঙ্গনা বলে সম্মানিত করেছেন। ড. মুনতাসীর মামুন সেইসব বীরাঙ্গনাদের মর্মস্পর্শি গাথা তুলে ধরেছেন তার লেখনীর মাধ্যমে। প্রকাশিত অপ্রকাশিত ৯০ জন বীরাঙ্গনার বয়ানও সেখানে লিপিবদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের নির্মম ইতিহাস ফুটে উঠেছে তার লেখা গ্রন্থ “বীরাঙ্গনা ১৯৭১” এ।
চাঁদপুর প্রথম আলো বন্ধুসভার বন্ধুরা শনিবার (১২ আগস্ট) চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে পাঠচক্রের মাধ্যমে বইপড়া কর্মসূচি পালন করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর বন্ধুসভার সভাপতি রিফাত কান্তি সেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ কখনো শান্তি বয়ে আনে না। নির্যাতনকারীরা ইতিহাসে ঘৃণিত হিসেবেই বিবেচিত হয়। কাপুরুষরাই ধর্ষণ করে।  যুগে যুগে উল্টো তারাই কলঙ্কিত হয়। বীরেরা সর্বদাই সম্মানিত হয়। ঘটনা যতই নির্মম হোক না কেন, জয় হয় সাহসীর। বীরাঙ্গনারা আমাদের কছে সেইসব সাহসী নারী। তাদের জন্য আমাদের রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা। ড. মুনতাসীর মামুনের বইটি পড়ছিলাম আর মনে হলো রক্ত টগবগিয়ে উঠছে। কতটা নরপশু হলে এমন ঘৃণিত কাজ করতে পেরেছিলো পাকসেনা ও তাদের দোসররা।
সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বলেন, বীরাঙ্গনা ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। বইটিতে ফুটে উঠেছে নারীদের উপর পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের চিত্র। সত্যি এটি মর্মান্তিক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সদস্য অভ্রনীল অভি, মোনেম শাহরিয়ার, ফাতেমা তানজিন লরিন, আফরিন, আয়শা আক্তার, অভিলোধ, তানিয়া, কাকন, শুভ, মেহেদী হাসান, সিফাত, মোঃ হারিছ, আলামিন প্রমূখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।